Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

সাত বছর পর ভারতে ইরানের তেল? কোনো তথ্য নেই জানাল জাহাজ মন্ত্রক

সালটা ২০১৯। আমেরিকার চাপেই তেহরানের সঙ্গে নয়াদিল্লির বাণিজ্য সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞার জেরে ভারতে ইরানি তেলের আমদানি বন্ধ হয়ে যায়।

সাত বছর পর ভারতে ইরানের তেল? কোনো তথ্য নেই জানাল জাহাজ মন্ত্রক
  • ২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:০৪
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: সালটা ২০১৯। আমেরিকার চাপেই তেহরানের সঙ্গে নয়াদিল্লির বাণিজ্য সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞার জেরে ভারতে ইরানি তেলের আমদানি বন্ধ হয়ে যায়। পেরিয়েছে সাত বছর। সব ঠিক থাকলে, সাত বছরে এই প্রথমবার আগামী ৪ এপ্রিল গুজরাতের বাদিনারে পৌঁছাচ্ছে ইরানের অপরিশোধিত তেল। জ্বালানি সংকটের অস্থির অবস্থার জেরে এককালে নিষিদ্ধ তেলই এবার ভারতে প্রবেশ করতে চলেছে। 

Advertisement

দক্ষিণ আফ্রিকার দেশ এসওয়াতিনির পতাকাবাহী ট্যাঙ্কারটির নাম পিং শুন। জানা গিয়েছে, প্রায় ৬ লক্ষ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল নিয়ে গুজরাতের দীনদয়াল বন্দরের বাদিনারে নোঙর করবে এটি। যদিও বিষয়টি নিশ্চিত করেনি জাহাজ মন্ত্রক। এনিয়ে জাহাজ মন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব মুকেশ মঙ্গলকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, ইরানের তেলবাহী ট্যাঙ্কার নিয়ে সরকারের কাছে কোনো তথ্য নেই।
একসময় ভারত-ইরান বাণিজ্য সম্পর্ক অত্যন্ত শক্তিশালী ছিল। আর এই সম্পর্কের মেরুদণ্ড ছিল অপরিশোধিত তেল। বহু বছর ধরে জ্বালানির চাহিদা মেটাতে ইরানের অপরিশোধিত তেলের উপর নির্ভরশীল ছিল ভারত। তেল আমদানির পরিবর্তে তেহরানে খাদ্যদ্রব্য, ওষুধ, যন্ত্রাংশ সহ একাধিক সামগ্রী রপ্তানি করা হত। কিন্তু ২০১৮ সালের পর এই সম্পর্কে চিড় ধরতে শুরু করে। ইরান পারমাণবিক চুক্তি থেকে আমেরিকা বেরিয়ে আসার পর বদলে যায় পুরো ছবিটা। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার জেরে ইরান থেকে দিল্লির তেল আমদানি ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যায়। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২০ সালে ভারতের তেল সহ মোট আমদানির পরিমাণ ছিল ১৩৯ কোটি মার্কিন ডলার। ২০২৫ সালে তা কমে হয়েছে ৪৪ কোটি মার্কিন ডলার। 

সম্পর্কিত সংবাদ