ক্রাউড ফান্ডিং-এ কোটির ইঞ্জেকশন!
  • ১৯ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নদীয়া জেলার রাণাঘাটের একরত্তি মেয়ে অশ্মিকা দাস। বয়স ১ বছর ৪ মাস। ৭ মাস আগে ধরা পড়ে ছোট্ট অশ্মিকার শরীরে বাসা বেঁধেছে মেরুদণ্ডের বিরল অসুখ— স্পাইনাল মাসকুলার অ্যাট্রফি টাইপ ওয়ান! যা হতে পারে প্রতি ১০ হাজারে ১জন শিশুর। অসুখ সারাতে দরকার পড়ে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল জিন থেরাপি যার নাম জোলজেন্‌সমা! ভারতীয় মুদ্রায় এই চিকিত্সার খরচ প্রায় ১৬ কোটি! 

Advertisement

আশা না হারিয়ে অশ্মিকার বাবা শুভঙ্কর দাস মেয়ের চিকিত্‍সার জন্য যোগাযোগ করেন পিয়ারলেস হাসপাতালের সঙ্গে। শুরু হয় ক্রাউড ফান্ডিং! ৭ মাসে উঠে আসে ৯ কোটিরও বেশি অর্থ! এরপর আবেদনের ভিত্তিতে ওষুধ পৌঁছে যায় অশ্মিকার কাছে।