Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সন্ধ্যা হলেই অন্ধকারে ঢেকে যায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া ব্রিজ, ক্ষোভ

দীর্ঘদিন ধরে হাসনাবাদ ও হিঙ্গলগঞ্জের সংযোগকারী ব্রিজে নেই আলো। মাসের পর মাস ধরে এমন ভাবেই অন্ধকারে ডুবে থাকছে গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজ।

সন্ধ্যা হলেই অন্ধকারে ঢেকে যায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া ব্রিজ, ক্ষোভ
  • ২ মে, ২০২৫ ১৫:০৫
Prefer us on Google

শ্যামলেন্দু গোস্বামী, বারাসত: দীর্ঘদিন ধরে হাসনাবাদ ও হিঙ্গলগঞ্জের সংযোগকারী ব্রিজে নেই আলো। মাসের পর মাস ধরে এমন ভাবেই অন্ধকারে ডুবে থাকছে গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজ। ফলে চূড়ান্ত সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। শুধু তাই নয় বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় ব্রিজে আলো না থাকায় অসাধু চক্রের কারবারিরা সেই সুযোগকে কাজে লাগাচ্ছে বলেই অভিযোগ। এলাকায় বহিরাগতদের আনাগোনা বাড়ছে। দ্রুত এনিয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হোক চাইছেন সচেতন নাগরিকরা।

Advertisement

বসিরহাটের একেবারে শেষ সীমানায় রয়েছে হিঙ্গলগঞ্জ ব্লক। এর একেবারেই শেষ প্রান্তে রয়েছে গৌড়েশ্বর নদী। এই নদী ভারত-বাংলাদেশের সীমান্তে অবস্থিত। নদীর তীরে থাকে বিএসএফের পাহারা। কিন্তু এর অনতিদুরে রয়েছে ডাসা নদী। আর তার ওপরে রয়েছে কংক্রিটের ব্রিজ।। সেই ব্রিজ হাসনাবাদ ও বসিরহাটের সঙ্গে সংযোগস্থাপন করেছে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ এই ব্রিজেই দীর্ঘদিন ধরে আলোর ব্যবস্থা নেই। প্রথমে এখানে আলো বসানো হয়েছিল কিন্তু প্রাকৃতিক ঝঞ্ঝার জেরে সেগুলি নষ্ট হয়ে গিয়েছে। ফলে সন্ধ্যা হলেই এই ব্রিজ দিয়ে যাতায়াত করা মানুষের কাছে কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে সীমান্ত এলাকায় এই ব্রিজ মানুষের কাছে যেন আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এ নিয়ে বারেবারে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ জানানো হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। মানুষ সন্ধ্যা হলেই এই ব্রিজ ব্যবহার করতে পারেন না। মাঝেমধ্যেই বসে যায় নেশার আসর। মহিলাদের যাতায়াত করা ঝুঁকিপূর্ণ। তাই এ নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করুক চাইছেন এলাকার মানুষ। স্থানীয় বাসিন্দা দিবাকর মণ্ডল, ঝুমা সিংহ বলেন, এই ব্রিজ থেকে ৫০০ মিটার গেলেই বাংলাদেশের সীমান্ত। আর এখানে নেই কাঁটাতার। সীমান্ত হিসাবে রয়েছে গৌড়েশ্বর নদী। ফলে অসাধু মানুষদের আনাগোনা দেখা যায়। গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুতে দ্রুত আলো বসানো হোক। এ নিয়ে হিঙ্গলগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শাহিদুল্লা গাজি বলেন, বিষয়টি নজরে এসেছে। পূর্ত ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত আলো বসানো হবে। মানুষের সুরক্ষা আমরা নিশ্চিত করবই।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ