Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ঝাড়খণ্ডের বড় অস্ত্র কারবারির মাধ্যমেই শহরে শতাধিক কার্তুজ

দিন কয়েক আগে ধর্মতলা বাসস্ট্যান্ড থেকে ১২০টি কার্তুজ উদ্ধার হয়।

ঝাড়খণ্ডের বড় অস্ত্র কারবারির মাধ্যমেই শহরে শতাধিক কার্তুজ
  • ৩০ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দিন কয়েক আগে ধর্মতলা বাসস্ট্যান্ড থেকে ১২০টি কার্তুজ উদ্ধার হয়। এই বিপুল সংখ্যক গোলাবারুদের উৎসস্থল কোথায়? সেই খোঁজ শুরু করেছে পুলিস। হাতে সূত্র বলতে শুধুমাত্র একজন পাচারকারি। ধৃত বর্ধমানের কেতুগ্রামের বাসিন্দা রামকৃষ্ণ মাঝিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বড়সড় অস্ত্র কারখানার পর্দাফাঁস করল কলকাতা পুলিসের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ঝাড়খণ্ডের ধানবাদে অভিযান চালায় পুলিস। সেখানে বাড়ির নীচে একটি বিরাট অস্ত্র কারখানা আবিষ্কার করেন তদন্তকারীরা। ঘটনাস্থল থেকে বাড়ি মালিক ও চার অস্ত্র মাফিয়াকে গ্রেপ্তার করে এসটিএফ। গত রবিবার ধর্মতলায় দক্ষিণবঙ্গ বাস পরিষেবার টিকিট কাউন্টারের সামনে থেকে রামকৃষ্ণকে গ্রেপ্তার করেছিলেন তদন্তকারীরা। ধৃতের কাছে থাকা ব্যাগ থেকে উদ্ধার হয় ৯ এমএম পিস্তলের ১২০টি কার্তুজ। রামকৃষ্ণকে জেরা করে পুলিস জানতে পারে ঝাড়খণ্ড থেকে গোলাবারুদ ঘুরপথে কলকাতায় এসেছে। মাস চারেক আগে শিয়ালদহ ও আনন্দপুর এলাকা থেকে দুই অস্ত্র কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছিলেন স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের অফিসাররা। তাদের থেকেও ঝা‌ড়খণ্ডের ধানবাদের একটি অস্ত্র কারখানার খবর পেয়েছিলেন তদন্তকারীরা। শহরে পরপর একই জায়গা থেকে অস্ত্র ঢোকার প্রবণতা বাড়তে থাকায় এবার অভিযানের সিদ্ধান্ত নেয় লালবাজার। 

Advertisement

কলকাতা পুলিস ও ঝাড়খণ্ড পুলিসের এসটিএফ যৌথভাবে অভিযান চালায় ধানবাদের মাহুদা থানার একটি বাড়িতে। বাড়ি মালিকের নাম মুর্শিদ আনসারি (৪৭)। পুলিস জানিয়েছে, তাঁর বাড়ির নীচে একটি বিশালাকার গোপন চেম্বার রয়েছে। সেখান থেকে চার অস্ত্র কারবারিকে পাকড়াও করেছেন অভিযানকারীরা। তাদের নাম মহম্মদ সাব্বির, মহম্মদ মুস্তাফা, মহম্মদ মিস্টার ও মহম্মদ পারভেজ। ধৃতদের বিরুদ্ধে মাহুদা থানাতেও একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ