নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এন্টালিতে লুটের ঘটনায় ধৃত এসটিএফের কনস্টেবল মিন্টু সরকার কীভাবে অফিসে বসেই অপারেশন চালালেন, তা নিয়ে অভ্যন্তরীণ অনুসন্ধান শুরু করেছে লালবাজার। জেনেবুঝেই ওই পুলিসকর্মীকে পিছন থেকে কেউ সাহায্য করছিলেন কি না সেটাও জানার চেষ্টা চলছে। একইসঙ্গে একজন কনস্টেবল মোবাইলে নম্বর ট্র্যাক করার সফ্টওয়্যার নিজের ফোনে কীভাবে আপলোড করলেন সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে খবর।
অভিযুক্ত কনস্টেবল মিন্টুর বিরুদ্ধে তদন্তে নেমে গোয়েন্দারা জেনেছেন হাওলা ব্যবসায়ীদের ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করতেন তিনি। তাঁদের কাছ থেকে প্রতিমাসে টাকা নিতেন। নিজস্ব নেটওয়ার্কের মাধ্যমে খবরাখবর রাখতেন, কোথায় নতুন হাওলা কারবার শুরু হয়েছে, কারা করছে এবং কোন রুটে টাকা ঢুকছে। এমনকী বেআইনি কল সেন্টার নিয়ে খোঁজখবর করে সেখানকার মালিকদের কাছে পৌঁছে যেতেন। অনেকদিন ধরেই তিনি এই কাজ করছিলেন। কিন্তু একজন কনস্টেবলের এত সাহস হল কী করে এটাই ভেবে উঠতে পারছেন না লালবাজারের কর্তারা। তাঁদের সন্দেহ কারও ‘হাত’ রয়েছে মিন্টুর মাথার উপরে। যে কারণে অফিসে বসেই এই কাজগুলি করে যেতে পারছিলেন। কিন্তু মাথায় ছাতা হিসেবে থাকা ব্যক্তিটি কে সেটা জানাই কর্তাদের উদ্দেশ্য। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর সংশ্লিষ্টরা তাঁর কাজকর্মের বিষয়ে শীর্ষ কর্তাদের কাছে জানিয়েছেন বলে খবর। মিন্টুর বিরুদ্ধে আসা এই সমস্ত তথ্য যাচাই করার কাজ শুরু হয়েছে। যে সমস্ত হাওলা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে তিনি নিয়মিত টাকা তুলতেন বলে অভিযোগ, তাঁদেরও প্রয়োজনে ডেকে কথা বলবেন আধিকারিকরা।