নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: হঠাৎ করে কোনও গোষ্ঠী সংঘর্ষ বা হিংসা ছড়ানোর উপক্রম হলে কলকাতা পুলিসের থানাগুলি তা ঠেকাতে কতটা প্রস্তুত? ওই পরিস্থিতি সামাল দিতে থানাগুলির হাতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম আছে তো? সম্প্রতি পুলিস কমিশনার মনোজ ভার্মার নির্দেশে এসব প্রশ্নে সমীক্ষা চালালেন কলকাতা পুলিসের শীর্ষকর্তারা। লালবাজার সূত্রে এই খবর জানা গিয়েছে।
মূলত কলকাতা পুলিসের অতিরিক্ত পুলিস কমিশনাররা সিপি’র নির্দেশে কলকাতার ১০টি ডিভিশনে এই সমীক্ষা চালিয়েছেন। কাগজেকলমে এই সমীক্ষাকে ‘ল অ্যান্ড অর্ডার অডিট’ বলা হচ্ছে। হঠাৎ কেন এমন অডিটের প্রয়োজন হল? লালবাজার সূত্রে খবর, সাম্প্রতিক সময়ে কলকাতাজুড়ে সেই অর্থে বড় কোনও হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেনি। কিন্তু রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ঘটে চলেছে একের পর এক গোষ্ঠী-হিংসার ঘটনা। তার প্রভাব কলকাতায় এসে পড়বে না, তা কেউ হলফ করে বলতে পারছে না। তাই হাত গুটিয়ে বসে না থেকে আগাম প্রস্তুতি নিয়ে রাখতেই এই সমীক্ষা বলে জানা গিয়েছে। কলকাতার প্রতিটি থানায় টিয়ার গ্যাস, গ্যাস গান, গ্যাস গ্রেনেড, রাবার বুলেট, বডি প্রোটেক্টর, ঢাল, লাঠি, লাউড স্পিকার, হেলমেট কত আছে এবং কী অবস্থায় আছে, তা নিয়ে সমীক্ষা করা হয়েছে বলে খবর। ইতিমধ্যে সমীক্ষার রিপোর্ট সিপি মনোজ ভার্মার কাছে পেশ করা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। তবে রিপোর্টে কী রয়েছে, তা নিয়ে সরকারিভাবে মুখ খুলতে চাননি কলকাতার পুলিস কোনও শীর্ষকর্তা। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কলকাতা পুলিসের ঘরোয়া বৈঠকে সিপি এই ইস্যুতে কলকাতার সব থানার ওসিদের বলেছেন, ‘যে থানাতে যা ঘাটতি রয়েছে, তা দ্রুত মিটিয়ে ফেলতে হবে। আগামী দিনে এনিয়ে কোনও অভাব-অভিযোগ গ্রাহ্য হবে না।’