


তেহরান: ইসলামাবাদে ইরান-আমেরিকার দ্বিতীয় দফার শান্তি বৈঠক নিয়ে চর্চা তুঙ্গে। রবিবার আচমকা ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির পাকিস্তানে ফেরার বিষয়টি সামনে আসতেই ফের গুঞ্জন শুরু হয়েছে। একাংশ বলতে শুরু করেছেন, এবার হয়তো ফলপ্রসূ আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শেষমেশ হরমুজের আকাশ থেকে যুদ্ধের মেঘ সরবে। এরইমাঝে বেঁকে বসল ইরান। ট্রাম্পের উপর চাপ বাড়িয়ে সে দেশের পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার আলি নিকজাদের বক্তব্য, আর আগের অবস্থায় ফিরবে না হরমুজ প্রণালী। এটাই আমাদের সুপ্রিম নেতৃত্বের নির্দেশ।
যুদ্ধের শুরুর দিন থেকেই ট্রাম্পের নিশানায় রয়েছে ইরানের পরমাণু কেন্দ্র। তেহরানের পরমাণু পরিকাঠামো গুঁড়িয়ে দিতে চেয়েছে আমেরিকা। এদিন সেই বিষয়টি উল্লেখ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া সমালোচনা করেছেন ইরান পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার আলি নিকজাদ। তাঁর সাফ বার্তা, আর স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে না হরমুজ প্রণালী। এই পরিস্থিতিতে সবাই তাকিয়ে আব্বাস আরাঘচির দিকে। এর আগে ইসলামাবাদ থেকে ওমানে গিয়েছিলেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী। শোনা যাচ্ছে, সেখানে উচ্চপর্যায়ের এক আলোচনার পর রবিবার ফের ইসলামাবাদের দিকে রওনা দিয়েছেন তিনি। সব ঠিক থাকলে সোমবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন আরাঘচি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এভাবেই হয়তো ধীরে ধীরে কোনো সমাধানসূত্র মিলতে পারে। এরই মাঝে শনিবার ফের দক্ষিণ লেবাননে হামলা চালিয়েছে ইজরায়েল। ঘটনায় সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। তিন শিশু সহ জখম প্রায় ২৪ জন।