নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের পাশে রাজ্য সরকার। চলতি আর্থিক বছরে স্বনির্ভর গোষ্ঠীদের ঋণ দেওয়ার পরিমাণ ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা ছাড়াল। এরফলে উপকৃত হবে জেলায় প্রায় ৫২ হাজার স্বনির্ভর গোষ্ঠী। বিভিন্ন ব্যাঙ্কের মাধ্যমে ঋণ দেওয়ার কাজ জারি রয়েছে। অনলাইন ও অফলাইন দুই মাধ্যমেই ক্রেডিট লিঙ্কেজের কাজ হচ্ছে। প্রশাসনের আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, আর্থিক বছর শেষের আগেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে। নারায়ণগড় ব্লকের সবচেয়ে বেশি স্বনির্ভর গোষ্ঠী ঋণের সুবিধা পেয়েছেন। দ্রুত ঋণ মেলায় স্বনির্ভর হচ্ছেন মহিলারা। এতে গ্রামীণ অর্থনীতির বদল হচ্ছে। ঋণ পাওয়া টাকা খরচ করে জ্যাম জেলি, ধূপকাঠি সহ বিভিন্ন জিনিস তৈরি করছেন মহিলারা, যা ভিনরাজ্যেও রপ্তানি করা হচ্ছে।
Advertisement
অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক মিশন ডিরেক্টর ও দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলাশাসক (কৃষি) গোবিন্দ হালদার বলেন, জেলার প্রত্যন্ত এলাকার মহিলারা ঋণ পেয়ে খুবই উপকার পাচ্ছেন। গোটা প্রক্রিয়াটা খুবই দ্রুত গতিতে করা হচ্ছে। ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে রাজ্যের মধ্যে ভালো স্থানে আছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা। মহিলারা নিজেরা গোষ্ঠী তৈরি করছে। জেলা প্রশাসন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের পাশে সর্বদা থাকবে।
প্রসঙ্গত, মহিলাদের স্বনির্ভর করার বার্তা দিয়েছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেইমতো জেলার মহিলাদের নানা ধরনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে প্রশাসনের উদ্যোগে। রাজ্য সরকার চাইছে এর মাধ্যমে জেলার হস্তশিল্পেরও বিকাশ করতে। কয়েক বছর ধরেই প্রশাসনের তরফে ঋণ দেওয়ার কাজ হচ্ছে। গ্রামের মেয়েদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে গৃহবধূরাও স্বনির্ভর হওয়ার লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছেন। এরফলে কর্মসংস্থান অনেকটাই বেড়েছে। জানা গিয়েছে, শুধু মেদিনীপুর জেলায় ৭০ হাজারের বেশি স্বনির্ভর গোষ্ঠী রয়েছে।
তার মধ্যে বেশিরভাগ স্বনির্ভর গোষ্ঠী সরকারি নিয়ম মেনে ঋণের জন্য আবেদন করছে। এই অর্থবছরে কেশপুর ব্লকে ৩ হাজার ৭৩০টি, ডেবরা ব্লকে ৩ হাজার ৫৪৫টি, নারায়ণগড় ব্লকে ৪ হাজার ১০২টি, সবং ব্লকে ৩ হাজার ৭০১টি , শালবনী ব্লকে ২ হাজার ৭৩২টি স্বনির্ভর গোষ্ঠী ঋণের টাকা পেয়েছে। মার্চ মাসের শুরুতে আরও কয়েকশো স্বনির্ভর গোষ্ঠী ঋণ পাবে।
স্বনির্ভর গোষ্ঠীর এক মহিলা বলেন, প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা বিভিন্ন জিনিস তৈরি করছেন। কিন্তু মার্কেটিং আরও ভালো হলে ব্যবসা ভালো হবে। এছাড়া বিভিন্ন জিনিস বিক্রি করার জন্য স্থায়ী মার্কেট কমপ্লেক্স তৈরি হলে ব্যবসা বাড়বে। পাশাপাশি জেলায় পর্যটন শিল্পের উন্নতির প্রয়োজন। বেশি পরিমাণে পর্যটক এলে ব্যবসার পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পাবে। আগের তুলনায় জেলায় মেলার পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় প্রচুর বিক্রি হচ্ছে।
এদিন কথা হচ্ছিল স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলা সুজাতা মণ্ডলের সঙ্গে। তিনি বলেন, একদিকে বেশিরভাগ মহিলা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সহ বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। তার উপর স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলো ঋণ পাওয়ায় নানা জিনিস তৈরি করে বিক্রি করতে পারছে। সংসারে টাকা আসায় বাড়ির লোকও খুশি হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, মহিলাদের স্বনির্ভর করার বার্তা দিয়েছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেইমতো জেলার মহিলাদের নানা ধরনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে প্রশাসনের উদ্যোগে। রাজ্য সরকার চাইছে এর মাধ্যমে জেলার হস্তশিল্পেরও বিকাশ করতে। কয়েক বছর ধরেই প্রশাসনের তরফে ঋণ দেওয়ার কাজ হচ্ছে। গ্রামের মেয়েদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে গৃহবধূরাও স্বনির্ভর হওয়ার লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছেন। এরফলে কর্মসংস্থান অনেকটাই বেড়েছে। জানা গিয়েছে, শুধু মেদিনীপুর জেলায় ৭০ হাজারের বেশি স্বনির্ভর গোষ্ঠী রয়েছে।
তার মধ্যে বেশিরভাগ স্বনির্ভর গোষ্ঠী সরকারি নিয়ম মেনে ঋণের জন্য আবেদন করছে। এই অর্থবছরে কেশপুর ব্লকে ৩ হাজার ৭৩০টি, ডেবরা ব্লকে ৩ হাজার ৫৪৫টি, নারায়ণগড় ব্লকে ৪ হাজার ১০২টি, সবং ব্লকে ৩ হাজার ৭০১টি , শালবনী ব্লকে ২ হাজার ৭৩২টি স্বনির্ভর গোষ্ঠী ঋণের টাকা পেয়েছে। মার্চ মাসের শুরুতে আরও কয়েকশো স্বনির্ভর গোষ্ঠী ঋণ পাবে।
স্বনির্ভর গোষ্ঠীর এক মহিলা বলেন, প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা বিভিন্ন জিনিস তৈরি করছেন। কিন্তু মার্কেটিং আরও ভালো হলে ব্যবসা ভালো হবে। এছাড়া বিভিন্ন জিনিস বিক্রি করার জন্য স্থায়ী মার্কেট কমপ্লেক্স তৈরি হলে ব্যবসা বাড়বে। পাশাপাশি জেলায় পর্যটন শিল্পের উন্নতির প্রয়োজন। বেশি পরিমাণে পর্যটক এলে ব্যবসার পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পাবে। আগের তুলনায় জেলায় মেলার পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় প্রচুর বিক্রি হচ্ছে।
এদিন কথা হচ্ছিল স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলা সুজাতা মণ্ডলের সঙ্গে। তিনি বলেন, একদিকে বেশিরভাগ মহিলা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সহ বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। তার উপর স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলো ঋণ পাওয়ায় নানা জিনিস তৈরি করে বিক্রি করতে পারছে। সংসারে টাকা আসায় বাড়ির লোকও খুশি হচ্ছে।



