নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: প্রাথমিকভাবে নদীয়া জেলায় ৪৬ হাজার উপভোক্তাকে বাংলার বাড়ি প্রকল্পে টাকা দেবে রাজ্য সরকার। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ১৭ ডিসেম্বর থেকে সেই টাকা উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করবে। তার জন্য টাকাও রাজ্য সরকার পাঠাতে শুরু করেছে। চলতি মাসের মধ্যেই প্রাথমিকভাবে সকল যোগ্য উপভোক্তাকে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছে দেওয়া হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। সেইমতো জোর কদমে কাজ চলছে প্রশাসন মহলে। রাজ্য থেকে সবুজ সংকেত এলেই দ্রুত টাকা ছাড়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে। কারণ জেলাজুড়ে চূড়ান্ত যোগ্য উপভোক্তাদের তালিকা তৈরির কাজও প্রায় শেষের পথে। পঞ্চায়েত এলাকায় গ্রামসভাতে যোগ্য ও অযোগ্য উপভোক্তার ঝাড়াই বাছাইয়ের কাজ হয়ে গিয়েছে। অযোগ্য উপভোক্তার নাম তালিকায় থাকলে অভিযোগের ভিত্তিতে তা বাতিল করার কাজও শেষ হতে চলেছে।
Advertisement
প্রশাসনের এক আধিকারিকের কথায়, রাজ্য থেকে টাকা আসতে শুরু হয়েছে। রাজ্য সবুজ সংকেত দিলেই প্রাথমিকভাবে যোগ্য উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকতে শুরু করবে। সেইমতো আমরা শেষ মুহূর্তের কাজ করছি।
প্রসঙ্গত, কেন্দ্র সরকারের মুখাপেক্ষী না থেকে আবাস যোজনার উপভোক্তাদের বাড়ি তৈরির টাকা দিতে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য সরকার। সেইমতো বৎসরান্তে ফের নতুন করে সমীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য উপভোক্তাদের চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করা হয়েছে। সেই তালিকায় আবাস যোজনার পুরনো আবেদনকারীর নামের পাশাপাশি সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীতে আবেদন, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে ভিটেহারা মানুষদের নামও রাখা হয়েছে। সেইমতো নদীয়া জেলায় মোট ১ লক্ষ ৮১ হাজার আবেদনকারীর বাড়ি গিয়ে সমীক্ষা করা হয়। শেষ পর্যন্ত প্রায় ১ লক্ষ ২৮ হাজার যোগ্য উপভোক্তার তালিকা তৈরি করা গিয়েছে। সরাসরি বাদ পড়েছে প্রায় ৪০ হাজার নাম।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরনো অনুদানপ্রাপ্ত উপভোক্তা, সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীতে বাড়ির জন্য আবেদনকারী যোগ্য উপভোক্তা এবং রেমাল ঘূর্ণিঝড়ে যাঁদের বাড়ি ভাঙা পড়েছে, তাঁদের দিয়েই প্রাথমিকভাবে বাংলার বাড়ি প্রকল্পে টাকা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। সেইমতো নদীয়া জেলা প্রশাসন প্রায় ৪৬ জন উপভোক্তার তালিকা তৈরি করেছে। নদীয়া জেলার প্রশাসনের এক আধিকারিকের কথায়, যাঁরা অ্যাপ্রুভাল পেয়েছিলেন, তাঁদের টাকা দেওয়া হবে। বাকিরা পার্মানেন্ট ওয়েটিং লিস্টে রয়েছেন। দফায় দফায় টাকা দেওয়া হবে।
জানা গিয়েছে, নদীয়া জেলায় প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ১ লক্ষ ৬৭ হাজার উপভোক্তার নাম ছিল। এরর মধ্যে ৫১ হাজার উপভোক্তার নাম অনুমোদন করা হয়েছিল আগেই। বাকি ১ লক্ষ ১৮ হাজার উপভোক্তা ছিলেন পার্মানেন্ট ওয়েটিং লিস্টের তালিকায়। তবে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় সেই অনুমোদিত ৫১ হাজার উপভোক্তাদের তালিকাতেই ঝাড়াই বাছাই করা হয়। পাশাপাশি তার সঙ্গে যোগ করা হয় আরও বেশ কিছু উপভোক্তার নাম। তাঁরা সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীতে ঘরের জন্য আবেদন করেছিলেন এবং রেমাল ঘূর্ণিঝড়ে ঘর হারিয়েছিলেন।
প্রসঙ্গত, কেন্দ্র সরকারের মুখাপেক্ষী না থেকে আবাস যোজনার উপভোক্তাদের বাড়ি তৈরির টাকা দিতে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য সরকার। সেইমতো বৎসরান্তে ফের নতুন করে সমীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য উপভোক্তাদের চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করা হয়েছে। সেই তালিকায় আবাস যোজনার পুরনো আবেদনকারীর নামের পাশাপাশি সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীতে আবেদন, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে ভিটেহারা মানুষদের নামও রাখা হয়েছে। সেইমতো নদীয়া জেলায় মোট ১ লক্ষ ৮১ হাজার আবেদনকারীর বাড়ি গিয়ে সমীক্ষা করা হয়। শেষ পর্যন্ত প্রায় ১ লক্ষ ২৮ হাজার যোগ্য উপভোক্তার তালিকা তৈরি করা গিয়েছে। সরাসরি বাদ পড়েছে প্রায় ৪০ হাজার নাম।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরনো অনুদানপ্রাপ্ত উপভোক্তা, সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীতে বাড়ির জন্য আবেদনকারী যোগ্য উপভোক্তা এবং রেমাল ঘূর্ণিঝড়ে যাঁদের বাড়ি ভাঙা পড়েছে, তাঁদের দিয়েই প্রাথমিকভাবে বাংলার বাড়ি প্রকল্পে টাকা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। সেইমতো নদীয়া জেলা প্রশাসন প্রায় ৪৬ জন উপভোক্তার তালিকা তৈরি করেছে। নদীয়া জেলার প্রশাসনের এক আধিকারিকের কথায়, যাঁরা অ্যাপ্রুভাল পেয়েছিলেন, তাঁদের টাকা দেওয়া হবে। বাকিরা পার্মানেন্ট ওয়েটিং লিস্টে রয়েছেন। দফায় দফায় টাকা দেওয়া হবে।
জানা গিয়েছে, নদীয়া জেলায় প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ১ লক্ষ ৬৭ হাজার উপভোক্তার নাম ছিল। এরর মধ্যে ৫১ হাজার উপভোক্তার নাম অনুমোদন করা হয়েছিল আগেই। বাকি ১ লক্ষ ১৮ হাজার উপভোক্তা ছিলেন পার্মানেন্ট ওয়েটিং লিস্টের তালিকায়। তবে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় সেই অনুমোদিত ৫১ হাজার উপভোক্তাদের তালিকাতেই ঝাড়াই বাছাই করা হয়। পাশাপাশি তার সঙ্গে যোগ করা হয় আরও বেশ কিছু উপভোক্তার নাম। তাঁরা সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীতে ঘরের জন্য আবেদন করেছিলেন এবং রেমাল ঘূর্ণিঝড়ে ঘর হারিয়েছিলেন।



