নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শিশুদের পেশির বিরল রোগের চিকিৎসায় সদর্থক পদক্ষেপ করল রাজ্য। ‘মাসকুলার ডিসট্রফি’ বা ‘এমডি’ নামের পেশির বিরল রোগের পরীক্ষায় কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে একটি স্লিপ স্টাডি ইকুইপমেন্ট এবং বাইপ্যাপ মেশিন বসাতে নির্দেশ দিয়েছিল প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ। সেই নির্দেশ কার্যকর না করায় গত শুনানিতে রাজ্যকে কার্যত ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত সেই নির্দেশ কার্যকর করেছে রাজ্য। এই কারণে শুক্রবার রাজ্যের ভূমিকায় ডিভিশন বেঞ্চকে সন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে। এই রোগ যতটা বিরল, চিকিৎসাও ততটাই অধরা। এমডি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি, তার বয়স যাই হোক না কেন, তাকে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক বা সুস্থ করে তোলার মতো কোনও চিকিৎসা পদ্ধতি নেই। তবে নানারকম ওষুধ এবং বিভিন্ন থেরাপির মাধ্যমে এই রোগীর পেশির ক্ষয় ও দুর্বলতাকে কিছুটা প্রতিরোধ করা যায়। মূলত প্রধান বিচারপতির পদক্ষেপের কারণেই আপাতত এসএকেএমে এই শিশুদের চিকিৎসার পথ খুলল। এদিকে, আগামী সোমবারই অবসর গ্রহণ করছেন প্রধান বিচারপতি। এই কারণে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রধান বিচারপতিকে এদিন ওই শিশুরা স্মারক হিসেবে নিজেদের হাতে আঁকা ছবি উপহার দিয়েছে। ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, গর্ভবতী হওয়ার আগে এই মাসকিউলার ডিসট্রফি শনাক্তকরণের পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করার ব্যাপারে রাজ্যের মতামত কী? আগামী সোমবার রাজ্যকে এই ব্যাপারে রিপোর্ট দিতে হবে।



