বেঙ্গালুরু: ‘সাদার্ন ডার্বি’তে চেন্নাই সুপার কিংসকে টেক্কা দিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। রবিবার চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে এই দ্বৈরথে ৪৩ রানে জয়ী গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। আরসিবি টানা দুই ম্যাচেই জিতল। অন্যদিকে, হারের হ্যাটট্রিক হল চেন্নাইয়ের। এদিন টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৩ উইকেটে ২৫০ তোলে আরসিবি। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে আইপিএলের ইতিহাসে এটাই তাদের সর্বাধিক স্কোর। চলতি আসরেও এই প্রথম কোনো দল আড়াইশো রান উঠল। জবাবে পাঁচ বারের চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই থামে ২০৭ রানে।
বেঙ্গালুরুর ইনিংসের শুরুটা ধীরেসুস্থে হয়েছিল। ক্রমশ ঝড় তোলেন বিরাট কোহলি (২৮)। রোহিত শর্মাকে টপকে আইপিএলে কোনও দলের বিরুদ্ধে সর্বাধিক রানের রেকর্ডও গড়েন। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে ভিকে’র সংগ্রহ এখন ১১৭৪। রান পান ফিল সল্ট (৪৬), দেবদূত পাদিক্কালও (৫০)। এরপরই সাইক্লোনের গতিতে রান তোলেন টিম ডেভিড ও ক্যাপ্টেন রজত পাতিদার। ১৬ থেকে ২০, এই পাঁচ ওভারে তাঁদের দাপটে ওঠে ৯৭! ২৮০ স্ট্রাইক রেটে ২৫ বলে ৭০ করে নট আউট থাকেন ডেভিড। মারমার কাটকাট মেজাজে মারেন ৮টি ছক্কা ও ৩টি চার। ১৯ বলে ৪৮ রানে অপরাজিত থাকেন পাতিদার। ৬টি ছক্কা ও ১টি চার রয়েছে তাঁর ইনিংসে।
২৫১ তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই ক্যাপ্টেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে (৭) হারায় সিএসকে। পরের ওভারেই আউট আয়ূষ মাত্রে (১)। টানা তিন ম্যাচে ব্যর্থ হলেন সঞ্জু স্যামসন (৯)। এদিনও দুই অঙ্কের রানে পৌঁছতে পারলেন না তিনি। ৩০ রানে তিন উইকেট খুইয়ে ধুঁকতে থাকা ইনিংসকে অক্সিজেন দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন সরফরাজ খান (২৫ বলে ৫০), প্রশান্ত ভির (২৯ বলে ৪৩), জেমি ওভারটন (১৬ বলে ৩৭)। তবে তা জেতার পক্ষে যথেষ্ট ছিল না। বেঙ্গালুরুর হয়ে বল হাতে নজর কাড়েন ভুবনেশ্বর কুমার (৩-৪১), ক্রুনাল পান্ডিয়া (২-৩৬), জেকব ডাফি (২-৫৮)। আইপিএলে প্রথম পেসার হিসেবে দুশো উইকেট হয়ে গেল ভুবির।
এদিন চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে ওল্ড বিইএমএল এন্ড ও প্যাভিলিয়ন এন্ডের নামকরণ হল যথাক্রমে রাহুল দ্রাবিড় ও অনিল কুম্বলের নামে।