মুম্বই: ওয়াংখেড়েতে রুদ্ধশ্বাস লড়াই। হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ১২ রানে হারিয়ে দুরন্ত জয় তুলে নিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। শুরুতে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ২২১ রান করে আরসিবি। জবাবে ৯ উইকেট হারিয়ে ২০৯ রানের বেশি তুলতে পারেনি মুম্বই। ব্যর্থ হার্দিক পান্ডিয়া ও তিলক ভার্মার লড়াই। মাত্র ১৫ বলে ৪২ রান করেন হার্দিক। তাঁর ইনিংসে ৩টি চার ও ৪ টি ছক্কা। অন্যদিকে, ২৯ বলে ৫৬ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন তিলক। আরসিবির হয়ে চার উইকেট ক্রুনাল পান্ডিয়ার। উল্লেখ্য, চলতি আইপিএলে এখনও জয় অধরা মুম্বইয়ের। তারকা খচিত দল গড়েও হেরেই চলেছে হার্দিক ব্রিগেড।
২২২ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে রীতিমতো চাপে পড়ে যায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। যশ দয়ালের ডেলিভারিতে ৯ বলে ১৭ করে বোল্ড হন রোহিত শর্মা। খারাপ সময় কিছুতেই কাটছে না তাঁর। কোটিপতি লিগের চলতি আসরে আগের তিন ইনিংসে হিটম্যানের রান যথাক্রমে ০, ৮ ও ১৩। এদিন ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে নামলেও ব্যর্থতাই সঙ্গী হল রোহিতের। রায়ান রিকেলটনকে (১৭) এলবিডব্লু করেন জস হ্যাজলউড। উইলকে (২২) ফেরান ক্রুণাল পান্ডিয়া। চাপে পড়া মুম্বইকে লড়াইয়ে ফেরান হার্দিক ও তিলক ভার্মা।
যশপ্রীত বুমরাহ বনাম বিরাট কোহলির লড়াই ঘিরে আরব সাগরের পাড়ে বাড়ছিল আগ্রহ। আবার জানুয়ারির পর এদিনই প্রথম প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরলেন ‘বুমবুম’। প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে তিনিই দলের সেরা বোলার। কোনও উইকেট না পেলেও চার ওভারে দিলেন মাত্র ২৯ রান। কিন্তু দ্বৈরথে জিতলেন কোহলিই। তারকা পেসারকে ছক্কা মেরে স্বাগত জানিয়েছিলেন ভিকে। এদিনই টি-২০ ক্রিকেটে ১৩ হাজার রানের গণ্ডি টপকালেন তিনি। পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে এই কৃতিত্ব দেখালেন বিরাট। তালিকায় সবার উপরে রয়েছেন ক্রিস গেইল (৪৬৩ ম্যাচে ১৪,৫৬২ রান)। এদিন অবশ্য কোহলি পঞ্চাশে পৌঁছন মাত্র ২৯ বলে। শেষ পর্যন্ত ৪২ বল খেলে ৬৭ রানে থামেন তিনি। তাতে ছিল আটটি চার ও দুটো ছক্কা।
বেঙ্গালুরুর ইনিংসে নজর কাড়েন পাতিদার (৩২ বলে ৬৪), জিতেশ শর্মা (১৯ বলে ৪০ নট আউট), দেবদূত পাদিক্কাল (২২ বলে ৩৭)। মুম্বইয়ের হয়ে ট্রেন্ট বোল্ট (২-৫৭), হার্দিক পান্ডিয়া (২-৪৫) ও ভিগনেশ পুথুর (১-১০) উইকেট ভাগ করে নেন। টি-২০ ক্রিকেটে এত রান কখনও দেননি বোল্ট। সবমিলিয়ে খারাপ সময় অব্যাহত মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের।