Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / সম্পাদকীয়

কঠিন অঙ্ক এক...

যোগেন্দ্র যাদব যতটা না রাজনীতিক, তার থেকে অনেক বেশি সামাজিক কর্মী। সমাজের নীচুতলা নিয়ে তাঁর কারবার। এবং অবশ্যই ভোটের পরিসংখ্যান নিয়ে। কারণ, তিনি সেফোলজিস্ট।

কঠিন অঙ্ক এক...
  • ২৫ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

শান্তনু দত্তগুপ্ত: যোগেন্দ্র যাদব যতটা না রাজনীতিক, তার থেকে অনেক বেশি সামাজিক কর্মী। সমাজের নীচুতলা নিয়ে তাঁর কারবার। এবং অবশ্যই ভোটের পরিসংখ্যান নিয়ে। কারণ, তিনি সেফোলজিস্ট। অন্তত একটা সময় নিজেকে তেমনটাই বলতে পছন্দ করতেন। এখন অবশ্য নয়। তাও ভোটের ভূতটা তাঁর মাথা থেকে বেরিয়ে যায়নি। বরং ওটা তাঁর জিনে ঢুকে পড়েছে। লোকসভা হোক বা কোনও রাজ্যের বিধানসভা—নির্বাচন আসা মানেই তাঁর অঙ্ক কষা শুরু হয়ে যায়। তাই তিনি যখন সাক্ষাৎকার এবং তারপর কলকাতা প্রেস ক্লাবের একটি অনুষ্ঠানে সরাসরি বাংলার ভোট-ভবিষ্যৎ নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেন... তাকে গুরুত্ব না দেওয়া, আর প্যারাস্যুট ছাড়া প্লেন থেকে ঝাঁপানো, মোটামুটি একইরকম। তাই প্রথমেই দেখতে হবে, বাংলা নিয়ে কোন তিনটি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যোগেন্দ্র যাদব।

Advertisement

১) এসআইআরের পুরো খেলাটাই শুরু হয়েছে বাংলার জন্য। বিহার কখনও বিজেপি বা নির্বাচন কমিশনের মূল টার্গেট ছিলই না। ওখানে স্রেফ ট্রায়াল রান হয়েছে। দ্বিতীয় পর্বটাই আসল। আর সেই অধ্যায়ের প্রধান এজেন্ডা হল, পশ্চিমবঙ্গে বিপুল সংখ্যায় তৃণমূলের ভোট কাটা। সেই প্রস্তুতি সেরে ফেলেছে দিল্লির দরবার। কী নিশানা করেছে তারা? সংখ্যালঘু শ্রেণি। কারণ, তৃণমূলের ভোট ব্যাংকের একটা বড় অংশই মুসলিম। আর সবথেকে বড়ো কথা, রাজ্যটা সীমান্তবর্তী। সেই সুযোগটাই নেওয়া হচ্ছে। 
২) কেন্দ্রীয় বাহিনীর পুরোদস্তুর ব্যবহার হবে আসন্ন ভোটে। আগেও হয়েছে। কিন্তু এবার ভূমিকা আলাদা। টার্গেটেড ভোটারদের জন্য নামানো হবে আধাসেনাকে। একদিকে তারা বিজেপির কোর ভোট ব্যাংককে আশ্বস্ত করবে, আর অন্যদিকে তৃণমূলের মার্কামারা ভোটারদের চাপে রাখবে।
৩) ভোটদান এবং গণনার ক্ষেত্রেও কারচুপি করা হতে পারে। 
তিনটি আশঙ্কাই কিন্তু আশঙ্কাজনক। যোগেন্দ্র যাদবের সরাসরি ব্যাখ্যা, এই খেলায় নির্বাচন কমিশন তো আর আম্পায়ারের ভূমিকায় নেই! তারা সরাসরি মাঠে নেমে পড়েছে। আর সেটা কাজেকর্মে প্রকাশও পাচ্ছে। সেক্ষেত্রে বাংলার ভোটের দিকে নজর রাখুন।
এ রাজ্যের মানুষের অবশ্য ভোট নয়, আপাতত নজর এসআইআরের দিকে। বাঙালি এমনিতেই জ্ঞানপ্রিয় জাতি। জ্ঞান শোনার থেকে দিতে বেশি ভালোবাসে। তাই এসআইআর নিয়ে এই মুহূর্তে বাংলায় নানা মুনির নানা মানেবই। সবাই সব জানেন। ইনিউমারেশন ফর্ম অনলাইন-অফলাইন দু’বার ফিল আপ করেন। কোথায় কী লিখতে হবে, সে ব্যাপারে জেনে-না জেনে পরামর্শ দেন। আর নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কায় বারবার বিএলওকে ফোন করেন। কিন্তু তাঁরা বোঝেন না বা বুঝতে পারছেন না, যোগেন্দ্র যাদবের আশঙ্কা সত্যি হলে নির্বাচন সদনের দামোদর শেঠরা অল্পেতে খুশি হবেন না। একটা বড়োসড়ো সংখ্যার ধাক্কা আসতে চলেছে। কবে? ৯ ডিসেম্বর? অর্থাৎ, খসড়া তালিকা প্রকাশের দিন? উঁহু, হিসেবে ভুল হচ্ছে। এসআইআরের প্রথম পর্বের সঙ্গে দ্বিতীয় পর্বের তো এখানেই ফারাক! অর্থাৎ, বিহারে যা হয়েছে, বাংলায় তা হচ্ছে না। বিহারে খসড়া তালিকাতেই ৬৫ লক্ষ নাম বাদ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাংলায় সেটা হবে না। ইনিউমারেশন ফর্ম ফিল আপ করে যাঁরা জমা দিচ্ছেন, তাঁদের প্রত্যেকের নাম উঠবে তালিকায়। কিন্তু যাঁদের নথি নিয়ে গড়বড় আছে বলে কমিশন মনে করবে, তাঁদের কাছে যাবে নোটিশ। অঙ্ক শুরু হবে এখানেই। ৯ ডিসেম্বর খসড়া তালিকা প্রকাশের পর দেখতে হবে, ঠিক কতজন ওই নোটিশ পেয়েছে। যাঁরা পাবেন না, তাঁদের নাম চূড়ান্ত তালিকায় থাকবেই। তাঁদের উদ্বেগের কিছু নেই। কিন্তু যাঁদের নোটিশ ধরানো হবে, তাঁদের লড়াই শুরু ওই মুহূর্তে। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হবে ৭ ফেব্রুয়ারি। অর্থাৎ, নথি দাখিলের জন্য ১০ ডিসেম্বর থেকে মাস দুয়েক সময় পাবেন তাঁরা। যোগেন্দ্র যাদবের আশঙ্কা এবং এসআইআর পূর্ববর্তী ম্যাপিং যদি সঠিক হয়, তাহলে ৩০ শতাংশের কাছাকাছি বঙ্গবাসী নোটিশ পেতে চলেছেন। সংখ্যাটা দাঁড়াবে ২ কোটির আশপাশে। কারণ, হয় ২০০২ সালের তালিকায় তাঁদের বা তাঁদের পরিবারের ঘনিষ্ঠ কারও নাম থাকবে না। কিংবা ওই ভোটার তালিকার সঙ্গে ইনিউমারেশন ফর্মে উল্লিখিত নামধাম নিখুঁতভাবে মিলবে না। ধরা যাক, এক ভদ্রলোকের শেখ নামের বানান ২০০২ সালের তালিকায় ছিল SK, কিন্তু ইনিউমারেশন ফর্মে আছে SEKH... ফলে খসড়া তালিকা না বেরনো পর্যন্ত তাঁর আশঙ্কার অন্ত নেই। 
এবার ধরে নেওয়া যাক, যোগেন্দ্র যাদবের আশঙ্কা মতো বিপুল সংখ্যক ভোটার এর শিকার হলেন না। গোটা রাজ্যে ১ কোটি ভোটারকেও যদি নথি পেশ করতে হয়, তাহলেও কিন্তু তাঁদের হাতে সময়টা ওই মাস দুয়েক। তাঁরা ‘সঠিক জায়গায়’ যোগাযোগ করবেন, নথি গুছাবেন, হিয়ারিংয়ে যাবেন, ডকুমেন্ট দেবেন এবং অপেক্ষা করবেন চূড়ান্ত তালিকার জন্য। মৃত ও স্থানান্তরিত বাদ দিয়েও দু’মাসে কত মানুষ এভাবে নিজেকে স্বচ্ছ্ব ভোটার প্রমাণ করতে সক্ষম হবেন? ৩০ লক্ষ! ৪০ লক্ষ! কিন্তু এক কোটি মানুষের পক্ষে কি এটা করা সম্ভব? যে বৃদ্ধা একাকী কোনওমতে জীবনটা টেনে নিয়ে যাচ্ছেন, বা যে চাষির ফসল কাটতে গিয়ে ক্যালেন্ডার দেখার ফুরসৎ নেই, তাঁরা কি খোঁজখবর করে এবং নথি গুছিয়ে নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরে যাওয়ার মতো মানসিকতা রাখেন? এই সংখ্যাটা কিন্তু নেহাৎ কম নয়। আর যাঁরা নথি দাখিল করবেন, তাঁদেরও সবার ঠিক ওই সময়ের মধ্যে সবকিছু ‘প্রমাণ’ হবে কি না, সেটাও সংশয়ের ঊর্ধ্বে নয়। অনেককেই বলা হবে, আপনি ৬ নম্বর ফর্ম ফিল আপ করুন। অর্থাৎ, নতুন ভোটার হিসেবে আবেদন করুন। ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে যদি ভোট ঘোষণা হয়ে যায়, এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা বেরনোর পর দু’মাসও বাকি থাকবে না। অথচ, ভোটের ১০ দিন আগে পর্যন্ত ভোটার তালিকায় নাম তোলার সুযোগ পাবেন তাঁরা। অর্থাৎ, খসড়া তালিকা প্রকাশ থেকে মনোনয়ন শেষ হওয়া পর্যন্ত মেরেকেটে তিন মাস। অনেক সময় মনে হচ্ছে? ভোটের ঠেলা এবং সরকারি দপ্তরের লাল ফিতের যোগসূত্র মেলালে কিন্তু রাজকন্যে কম পড়তে বাধ্য। সেক্ষেত্রে কত মানুষের পক্ষে ওই সুযোগ নেওয়া সম্ভব হবে? যদি ভোটার তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায়, মৃত, স্থানান্তরিত এবং ‘ভুয়ো’ মিলিয়ে ৬০ লক্ষ নাম রাজ্য থেকে বাদ গিয়েছে, তাহলেও তার কেন্দ্রওয়াড়ি গড় ছাপিয়ে যাবে ২০ হাজার। মনে হতেই পারে, ভোটার বাদ গেলে তার প্রভাব তো তৃণমূল, সিপিএম, বিজেপি... সবার উপরই পড়বে। কিন্তু যোগেন্দ্র যাদবের মতো সমাজকর্মীরা যে আশঙ্কা করছেন, অর্থাৎ টার্গেট করে ভোটার বাদ দেওয়া... সেটা হলে? ২০২১ সালের নিরিখে ৩৯টি আসনে মাত্র শাসক তৃণমূলের জয়ের ব্যবধান ১০ হাজারের নীচে রয়েছে। ২০ হাজারের নীচে ব্যবধান ধরলেই সংখ্যাটা ৭৮’এ পৌঁছে যাবে। আর ২০ থেকে ২২ হাজারের মার্জিন ধরলে আরও খান দশেক। অঙ্কটা কিন্তু কাঁপুনি ধরানোর মতো। যদিও সবটাই নির্ভর করছে খসড়া এবং চূড়ান্ত তালিকার উপর। হতেই পারে, যোগেন্দ্র যাদব ভুল। এমন কোনও খেলাই কোথাও চলছে না। অনুপ্রবেশকারী বা ভুয়ো ভোটার যদি থাকে, তাহলে তাদের নাম বাদ যাওয়াটাই উচিত। তারা যোগ্য ভোটার তথা নাগরিকদের অধিকারে অনধিকার হস্তক্ষেপ করছে। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সরকারি প্রকল্প, পরিষেবা, মজুরি... সবেতেই ভাগ বসাচ্ছে। এই অংশটা কমে গেলে সাধারণ মানুষের তো বটেই, সরকারেরও সুবিধা। পরিষেবা আরও ভালোভাবে দেওয়া সম্ভব হবে। কিন্তু এই অঙ্কের খেলায় যদি যথাযথ ভোটারের নাম লাইন দিয়ে বাদ চলে যায়? তৃণমূল কংগ্রেস হোক বা সিপিএম—প্রত্যেকে কিন্তু এই একটি জায়গাতেই বিরোধিতা করে চলেছেন। একজন যোগ্য ভোটারের নামও যাতে বাদ না যায়। আরও একটি অঙ্ক অবশ্য তাঁরা এখনও আলোচনার এপিসেন্টারে এনে ফেলছেন না। ভোটার তালিকা আনফ্রিজ হওয়ার পর থেকে ভোট পর্যন্ত কত ‘নতুন ভোটার’ সংযুক্ত হচ্ছেন এবং তাঁরা কারা? বিহারে ২৪ লক্ষ ভোটার ওই পর্বে ভোটার তালিকায় ঢুকে পড়েছিলেন। তাঁদের ব্যাপারে কিন্তু বিরোধীরা সেভাবে প্রচারই করেনি। প্রশ্ন তোলেনি। মানুষকে সতর্ক করেনি। বাংলায় কী হবে? এটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন। এই নতুন ভোটাররা কাদের জন্য অনুঘটকের কাজ করবেন? তাঁরা সবাই কি বাংলারই মানুষ হবেন? নাকি হরিয়ানা বা মহারাষ্ট্রের মতো কোনও বিতর্ক দানা বাঁধবে। যেটাই হোক, সবটাই জানা যাবে ভোটের ফল প্রকাশের পর। তাই যোগেন্দ্র যাদব সতর্ক করছেন। বারবার। নির্বাচনের একটা স্তরে এক শতাংশ ভোট সুইংয়ে ১০-১২টা আসনের ফল বদলে যায়। এসআইআরের যোগ-বিয়োগের পর যদি ১০ শতাংশ ভোটারও অদল-বদল হয়, তাহলে সেটা আশঙ্কার বইকি! এসআইআর, অনুপ্রবেশ এবং নাগরিকত্ব যদি এক সুরে বাঁধার সত্যিকারের প্রচেষ্টা থাকত, তাহলে অসমকে এভাবে বাদ রাখা হত না। দাবি করা হচ্ছে, ওখানে তো এনআরসি হয়েছিল। সেটাই যদি কারণ হয়, তাহলে নাগরিকত্ব একমাত্র দেশের ওই রাজ্যেরই প্রামাণ্য ইশ্যু! সেখানে কেন বলা হল, কাউকে ইনিউমারেশন ফর্ম পূরণ করতে হবে না? কেন সেখানে বলা হল যে, কাউকে নথি দাখিল করতে হবে না? উত্তরটা দু’টি পরিসংখ্যানেই আছে। প্রথমত, অসমে এনআরসিতে নাম বাদ গিয়েছিল ১৯ লক্ষ মানুষের। তার মধ্যে ৭ লক্ষ মুসলিম। আর হিন্দু ১২ লক্ষ। তারা কিন্তু বিজেপিরই কোর ভোট ব্যাংক। প্রশ্ন আরও একটা আছে—এনআরসির পর কত মানুষকে পুশব্যাক করা হয়েছে? কয়েকশো! সেটাও প্রশাসনের দাবি। তারও পূর্ণাঙ্গ কোনও তালিকা নেই। আইনি জটিলতায় সবটাই থমকে গিয়েছে। তারপর হারিয়ে গিয়েছে খবরের শিরোনাম থেকে। সবচেয়ে বড়ো কথা, ডিটেনশন ক্যাম্পও কিন্তু আজ প্রায় খালি। অর্থাৎ, অসমে এনআরসি সফল, সেটা বলা যায় না। তাহলে এসআইআরের বদলে শুধু স্পেশাল রিভিশন কেন? বাংলাকেই বা কী কারণে বসানো হল আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখে... যেখানে আতঙ্ক, বঞ্চনা এবং এজেন্ডার রাজনীতিই বড়ো হয়ে যাচ্ছে মানবিকতার থেকে! 
প্রত্যেকটা রাজ্যেই কোনও দল ১০ বছরের উপর ক্ষমতায় থাকলে প্রতিষ্ঠান বিরোধী একটা শক্তি তৈরি হয়। বাংলাতেও কোনও কোনও স্তরে সেটা হয়েছে, সে ব্যাপারে সন্দেহ নেই। কিন্তু প্রশ্ন হল, তা কি সরকার বদলে দেওয়ার মতো সক্রিয়? এর উত্তর সোশ্যাল মিডিয়ায় পাওয়া যায় না। ৫-৭ শতাংশ মানুষ সক্রিয়ভাবে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেন। আর শিক্ষিত, তথাকথিত বুদ্ধিজীবী সমাজের ১৫ শতাংশ মানুষ হয়তো বদল চান। সব মিলিয়ে ২০ শতাংশের বেশি নয়। অ্যান্টি ইনকামবেন্সি বা প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার ক্ষেত্রে দেখতে হয়, বাকি ৮০ শতাংশ সাধারণ ভোটারের মধ্যে তা কতটা প্রভাব বিস্তার করল? সবজিওয়ালা, দিনমজুর, প্রত্যন্ত গ্রামের দোকানি, সাধারণ পরিচারিকা কি মনে করছেন, এই সরকার আমার জন্য কিছু করছে না? তাঁরা কি বলছেন, বদল প্রয়োজন? সেই হাওয়া কিন্তু এখনও বোঝা যাচ্ছে না। কারণ, এখন সবাই ব্যস্ত এসআইআর নিয়ে। দলের বিচার শুরু হবে পরে। আর একটি প্রশ্ন হল বিকল্পের। বাংলার মানুষ এখনও মুখ দেখে ভোট দেয়। কারণ, ওই চেহারার মধ্যে তারা আশ্বাস খোঁজে। ভরসা খোঁজে। মুখটা বদলে গেলে যা পাচ্ছে, তা হারানোর ভয়টাও জেঁকে বসে। আর এটা বঙ্গ বিজেপিও জানে। তাই তারা এটাও বোঝে, এই ফ্যাক্টরগুলোকে ফিকে করতে গেলে বাড়তি কিছু করতে হবে। যা ৫ শতাংশের ভোটের ফারাক শুধু মেক আপ করবে না, অতিরিক্ত ডিভিডেন্ড দেবে অন্তত ৭-৮ শতাংশের। যোগেন্দ্র যাদব বলছেন, ওইটাই খেলা। ভোটের খেলা। এসআইআরের খেলা। 
সত্যিই কি সেই খেলা হচ্ছে? কত হাজার মরলে এর উত্তর জানা যাবে? কত মানুষ আতঙ্কে ভিটে ছাড়লে রাষ্ট্র শান্ত হবে? এই সবই কোভার্ট অপারেশনের মতো। জবাব মিলবে... ৭ ফেব্রুয়ারি। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ