Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

গ্রীষ্মাবকাশে কলেজে ক্লাস নেওয়ার নির্দেশিকা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের, আচমকা বিজ্ঞপ্তি মানছেন না অধ্যক্ষরা

কেন্দ্রের ফতোয়া মেনে সেমেস্টার পদ্ধতি চালু করার পরেই স্নাতকস্তরে কমেছিল পঠনপাঠনের সময়। তারপরে জাতীয় শিক্ষানীতির ফরমান মেনেই চালু করতে হয়েছে কারিক্যুলাম অ্যান্ড ক্রেডিট ফ্রেমওয়ার্ক (সিসিএফ)।

গ্রীষ্মাবকাশে কলেজে ক্লাস নেওয়ার  নির্দেশিকা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের, আচমকা বিজ্ঞপ্তি মানছেন না অধ্যক্ষরা
  • ২৯ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কেন্দ্রের ফতোয়া মেনে সেমেস্টার পদ্ধতি চালু করার পরেই স্নাতকস্তরে কমেছিল পঠনপাঠনের সময়। তারপরে জাতীয় শিক্ষানীতির ফরমান মেনেই চালু করতে হয়েছে কারিক্যুলাম অ্যান্ড ক্রেডিট ফ্রেমওয়ার্ক (সিসিএফ)। এর ফলে কার্যত পরীক্ষা ও মূল্যায়ন নির্ভর হয়ে দাঁড়িয়েছে স্নাতক কোর্স। পঠনপাঠনের সময় বলে হাতে সেভাবে কিছু থাকছে না। এই অবস্থায় গ্রীষ্মকালীন অবকাশ (সামার রিসেস) কার্যত তুলেই দিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। বুধবার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছে, সমস্ত কলেজেই বৃহস্পতিবার থেকে ৩০ জুন, রিসেস শেষ হওয়া পর্যন্ত ক্লাস নিতে হবে।

Advertisement

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে রিসেস শুরু হয়েছে ১৬ মে থেকে। এতদিন পরে এই বিজ্ঞপ্তি পেয়ে বিপাকে পড়েছেন অধ্যক্ষরা। এ নিয়ে এদিন বৈঠকে বসে নিখিলবঙ্গ অধ্যক্ষ পরিষদ। বৈঠক শেষে সংগঠনের কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের সভাপতি তথা নিউ আলিপুর কলেজের অধ্যক্ষ জয়দীপ ষড়ঙ্গী জানিয়েছেন, তাঁরা এই নির্দেশ মানতে পারছেন না। গত বছরের মতোই প্রয়োজনের ভিত্তিতে নিড বেসড ক্লাস বা প্রয়োজনের ভিত্তিতে পঠনপাঠনের ব্যবস্থা করবেন তাঁরা। এমনিতেও বিভিন্ন টিউটোরিয়াল, পরীক্ষা এবং ইন্টার্নশিপের জন্য শিক্ষক এবং ছাত্রছাত্রীদের আসতেই হচ্ছে। তার বাইরে বাড়তি ক্লাস করানোর জন্য শিক্ষকদের বাধ্য করা হচ্ছে না। জয়দীপবাবু আরও বলেন, ‘একটি রিসেস তুলে দেওয়ার ক্ষমতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আছে কি না আমার জানা নেই। এ ব্যাপারে অধ্যক্ষদের সঙ্গে আলোচনা করা যেত। কারণ, রূপায়ণের দায়িত্ব তাঁদের উপরেই থাকে। প্রথম থেকেই এভাবে অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার তৈরি করা থাকলে সমস্যা হয় না।’
উপাচার্য শান্তা দত্ত বলেন, ‘সিসিএফ চালু হওয়ার পরে ক্লাসের সময় পাওয়া যাচ্ছে না। শুধু পরীক্ষাই হচ্ছে। সে কারণেই এটা করতে হল। তাছাড়া, রিসেস মানে ছুটি নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব যে স্নাতক কোর্স রয়েছে, সেগুলিতে আমরা বরাবরই রিসেসের সময় ক্লাস নিয়ে থাকি।’ অধ্যক্ষদের সঙ্গে আলোচনা করা হল না কেন এটা নিয়ে? তিনি বলেন, ‘প্রয়োজন অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় তা নিতেই পারে।’ তবে, পরবর্তীতে রিসেস তুলে দিয়েই অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার হতে পারে বলে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।

সম্পর্কিত সংবাদ