সংবাদদাতা, পতিরাম: জন্মের সময় শিশুর ওজন ছিল ৬৯৫ গ্রাম। বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে জন্মের পরই একাধিক সমস্যায় বাঁচার আশা প্রায় ছেড়ে দিয়েছিল পরিবার। কিন্তু ৯২ দিন মা ও মেয়েকে হাসপাতালে রেখে সুস্থ করে তুললেন চিকিৎসক ও নার্সরা। বুধবার দু’জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এখন ওই শিশুর ওজন ১৬৯৪ গ্রাম। চিকিৎসকরা জানিয়েছে, সাধারণত দেড় কেজি বয়সের শিশুকেই বাঁচানো সম্ভব হয় না। কিন্তু ৬৯৫ গ্রামের শিশুকে নতুন করে প্রাণ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।
Advertisement
সুপার কৃষ্ণেন্দু বিকাশ বাগ বলেন, একেবারেই অতি অপরিণত শিশুর জন্ম হয় হাসপাতালে। জন্ডিস, শ্বাসকষ্ট, রক্তের সমস্যা সহ অনেক শারীরিক জটিলতা ছিল। এমন শিশুকে সুস্থ করতে পেরে সবাই খুশি।
হাসপাতাল সূত্রে খবর, শিশুর মায়ের নাম পার্বতী ওড়াওঁ। বাড়ি তপনের মনোহলির প্রত্যন্ত গ্রাম অন্তশিমুলে। শিশুর বাবা রাজীব ওরাওঁ বলেন, ২৬ সপ্তাহেই আমার স্ত্রীর প্রসব যন্ত্রণা ওঠে। বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে শিশুর জন্ম হয়। কিন্তু জন্মের সময় যা অবস্থা ছিল, কেউ ভাবিনি বেঁচে উঠবে। ডাক্তার ও নার্সদের ধন্যবাদ।
হাসপাতাল সূত্রে খবর, শিশুর মায়ের নাম পার্বতী ওড়াওঁ। বাড়ি তপনের মনোহলির প্রত্যন্ত গ্রাম অন্তশিমুলে। শিশুর বাবা রাজীব ওরাওঁ বলেন, ২৬ সপ্তাহেই আমার স্ত্রীর প্রসব যন্ত্রণা ওঠে। বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে শিশুর জন্ম হয়। কিন্তু জন্মের সময় যা অবস্থা ছিল, কেউ ভাবিনি বেঁচে উঠবে। ডাক্তার ও নার্সদের ধন্যবাদ।



