মুম্বই: ভোট বৈতরণী পার করতে বাংলার লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের আদলে ‘মুখ্যমন্ত্রী লড়কি বহিন’ প্রকল্প চালু করেছিল মহারাষ্ট্রের বিজেপি জোট সরকার। গত বছরের বিধানসভা ভোটের আগে মহিলাদের ঢালাওভাবে প্রকল্পের সুবিধা দিয়েছিল রাজ্যের বিজেপি সরকার। ভোটে জিতলে মহিলাদের এই আর্থিক সহায়তার পরিমাণ বৃদ্ধিরও প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ক্ষমতাসীন জোট। কিন্তু ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তনের পরই সুবিধাপ্রাপকদের তালিকায় রাশ টেনেছে সরকার। রাজ্যের ভাঁড়ারে টান পড়ছে। প্রাপকদের তালিকায় আরও স্বচ্ছতা আনতে হবে। এসব ‘অজুহাত’ দিয়ে প্রকল্প থেকে লক্ষ লক্ষ মহিলার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এরইমধ্যে রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী আদিতি তাতকারে জানালেন, এই প্রকল্পের সুবিধা প্রাপকদের তালিকায় রয়েছেন প্রায় আড়াই হাজার সরকারি কর্মী। তাঁর এই স্বীকারোক্তি ঘিরে তীব্র বিতর্ক দানা বেঁধেছে। এনিয়ে সরব হয়েছেন মহারাষ্ট্র বিধান পরিষদের বিরোধী দলনেতা অম্বাদাস দানভে। তাঁর বক্তব্য, এখনও পুরো বিষয়টি স্পষ্ট নয়। আবেদন করার সময় কি তাদের তথ্যগুলি যাচাই করা হয়নি? যাকে খুশি এই প্রকল্পের টাকা দেওয়া হয়েছে। আর এখন স্বচ্ছতার অজুহাত দিয়ে নিজেদের গাফিলতি ঢাকতে চাইছে বর্তমান সরকার। বড় অঙ্কের টাকা নষ্ট হয়েছে। যারা এই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত সেই সমস্ত সরকারি আধিকারিকদের বেতন থেকে টাকা কেটে এই ক্ষতিপূরণ করা হোক। সোশ্যাল মিডিয়া মারফৎ মন্ত্রী জানান, প্রকল্পের সুবিধা প্রাপকদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। সেইসূত্রেই সম্প্রতি ২ লক্ষ প্রাপকের যাবতীয় তথ্য যাচাই করা হয়েছিল। এদের মধ্যে ২ হাজার ২৮৯ জন মহারাষ্ট্র সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত। তড়িঘড়ি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।



