নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত ও সংবাদদাতা, বনগাঁ: পর পর দু’দিন তৃণমূল ভবনে ডেকে বনগাঁর কাউন্সিলারদের সঙ্গে কথা বলেন দলের নেতৃত্ব। দলের ‘কড়া বার্তার’ পর বনগাঁ পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিলেন গোপাল শেঠ। বুধবার সকালে পুরসভার এগজিকিউটিভ অফিসারের কাছে মেইল করে ইস্তফা পাঠিয়েছেন গোপাল। তাতে দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি ও মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের ইস্তফা সংক্রান্ত নির্দেশের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। বিষয়টি চাউর হতেই মিছিল করে, সবুজ আবির উড়িয়ে, বাজি ফাটিয়ে উৎসাহে মেতে ওঠেন দলের কর্মীরা। মিছিল শেষে গঙ্গাজল ছিটিয়ে বনগাঁ পুরসভায় এসে আস্থা ভোটে অংশ নেন কাউন্সিলাররা। ২২ জনের মধ্যে এদিন ২০ জন কাউন্সিলার গোপালের বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন এক কংগ্রেস ও এক নির্দল কাউন্সিলার। জানা গিয়েছে, ৬ নভেম্বর দল গোপাল শেঠকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছিল। তারপর ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেয় তৃণমূল। এই পর্বেই শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ছুটিতে চলে যান গোপাল। তার আগে ভাইস চেয়ারম্যানকে পদ থেকে সরিয়ে দেন তিনি। এরপরই গোপালের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবে সই করেন ন’জন কাউন্সিলার। নিয়ম অনুযায়ী ১৫ দিনের মধ্যে পুরসভায় এসে নিজের পক্ষে আস্থা অর্জন করতে হয় চেয়ারম্যানকে। কিন্তু সেটাও না করায় বুধবার পুরসভার মিটিং হলে দুপুরে আস্থা ভোটের ডাক দেন গোপালের বিরোধী তিন কাউন্সিলার জ্যোৎস্না আঢ্য, কৃষ্ণা রায় এবং নারায়ণচন্দ্র ঘোষ। তার আগেই এদিন সকালে পদত্যাগ করেন গোপাল।



