Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সমালোচনায় বিজেপিকে ছাড় দিলে মস্ত বিপদ! বোঝালেন যাদবপুরের অধ্যাপক, বিকল্প কর্মসূচির খসড়া নিয়ে বিশিষ্টদের কাছে সিপিএম

আলিমুদ্দিন স্ট্রিট থেকে ইস্তাহার প্রকাশের আগে আরো একবার ছক ভাঙল সিপিএম। রবিবার তপন থিয়েটারে শিল্পী, চিকিত্সক, অধ্যাপক সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তির সামনে বাম গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ জোটের বিকল্প কর্মসূচির খসড়া তুলে ধরল সিপিএম।

সমালোচনায় বিজেপিকে ছাড় দিলে মস্ত  বিপদ! বোঝালেন যাদবপুরের অধ্যাপক, বিকল্প কর্মসূচির খসড়া নিয়ে বিশিষ্টদের কাছে সিপিএম
  • ২৩ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আলিমুদ্দিন স্ট্রিট থেকে ইস্তাহার প্রকাশের আগে আরো একবার ছক ভাঙল সিপিএম। রবিবার তপন থিয়েটারে শিল্পী, চিকিত্সক, অধ্যাপক সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তির সামনে বাম গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ জোটের বিকল্প কর্মসূচির খসড়া তুলে ধরল সিপিএম। ইমেল মারফত ২৫ মার্চের মধ্যে পারমর্শ নেওয়া হবে। তারপর তৈরি হবে পূর্ণাঙ্গ ইস্তাহার। নেতৃত্বের বক্তব্য, বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের কাছেই যাওয়া হচ্ছে।  সভায় উপস্থিত ছিলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শমীক লাহিড়ী, রাজ্য কমিটির সদস্য শতরূপ ঘোষ, শান্তনু দে প্রমুখ। বিশিষ্ট ব্যক্তিরা তাঁদের বক্তব্যও তুলে ধরেন। কেউ বলেন, শিল্পীদের যথাযথ ব্যবহার করছে না পার্টি। আবার কেউ বললেন, সত্যিকারের বিজেপি বিরোধী তৃণমূল সমর্থকদের মন জিততে হবে।

Advertisement

বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু আগেই বলেছিলেন, ‘এলাকাভিত্তিক ইস্তাহার তৈরি হবে। প্রচারের ধাঁচা হবে ভিন্ন প্রকৃতির।’ এই বিকল্প কর্মসূচির খসড়ায় মোট ১৬টি বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। মহিলাদের ক্ষমতায়ন ও সুরক্ষা নামাঙ্কিত বিষয়ে লেখা হয়েছে, ভাতাপ্রাপ্ত সব মহিলাকে স্বনির্ভর গোষ্ঠীতে অন্তর্ভুক্ত করে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাঁদের আয় বৃদ্ধির ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া শিক্ষা, পরিবহণ, স্বাস্থ্য, উদ্বাস্তু, কাজ-নিয়োগ, শিল্প-কারখানার পুনরুজ্জীবনের কথাও বলা হয়েছে। এদিনের সভায় বহু বিশিষ্ট মানুষ খসড়া নিয়ে আলোচনাও করেন। খসড়ায় তৃতীয় লিঙ্গ, রূপান্তরকামীদের কথা খসড়ায় সংযুক্তির কথা বলেন। উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র পরিচালক কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়, নাট্যকার চন্দন সেন, অভিনেতা চন্দন সেন, বিপ্লব বন্দ্যোপাধ্যায়, ঊষসী চক্রবর্তী, জয়রাজ ভট্টাচার্য সহ অনেকে। 
অভিনেতা-নাট্যশিল্পী জয়রাজ তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘প্রতিটা বিধানসভা এলাকায় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, স্পোর্টস কমপ্লেক্স তৈরি করা যায়।’ এর পাশাপাশি তিনি অনুযোগের সুরেই বলেন, পার্টি ব্যবহার শিল্পীদের করছে না। অধ্যাপক আব্দুল কাফির বক্তব্যে উঠে আসে, ‘বিজেপি-বিরোধী তৃণমূলের সমর্থক আছেন। আমরা তাঁদের চটিচাটা, চালচোর এসব বলে দূরে সরাচ্ছি। বিজেপির সমালোচনা না করলে নিজের খাল নিজেই কেটে ফেলব।’ 
সিপিএমের বিভিন্ন কর্মিসভায় নেতৃত্ব থেকে বিশিষ্টজনদের বক্তব্যে এখন বিজেপিকে বেশি আক্রমণ করার দাবি উঠে আসছে। এই বিষয়ে তৃণমূলের মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, ‘সিপিএমকে এখন ঠিক করতে হবে, তাদের লোকেরা যেন নিজের ভোট নিজেদেরই দেয়। মহম্মদ সেলিমকে পাশে বসিয়ে অশোক ভট্টাচার্যের মতো নেতা তো সে-কথাই মনে করিয়ে দিয়েছেন।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ