Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বালিকাকে ধর্ষণ, ধৃত দিদিমা ও যুবক

দিদিমার প্রেমিকের যৌন লালসার শিকার নয় বছরের নাবালিকা। দিদিমার সহযোগিতায় নাবালিকাকে ধর্ষণ করে ওই ব্যক্তি। পুলিস অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তাঁর প্রেমিকা, নাবালিকার দিদিমাকে গ্রেপ্তার করেছে।

বালিকাকে ধর্ষণ, ধৃত দিদিমা ও যুবক
  • ১১ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বনগাঁ: দিদিমার প্রেমিকের যৌন লালসার শিকার নয় বছরের নাবালিকা। দিদিমার সহযোগিতায় নাবালিকাকে ধর্ষণ করে ওই ব্যক্তি। পুলিস অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তাঁর প্রেমিকা, নাবালিকার দিদিমাকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতদের নাম হীরামোহন বিশ্বাস (৫৫) ও শেফালি সরকার (৪৭)। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা থানা এলাকায়।

Advertisement

পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, শেফালির সঙ্গে অভিযুক্ত ব্যক্তির দীর্ঘদিনের অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে। নিয়মিত শেফালির বাড়িতে যাওয়া-আসা করতেন হীরামোহন। এদিকে, দিদিমা শেফালির কাছেই থাকত নাবালিকা। তার বাবা-মা কর্মসূত্রে ভিন রাজ্যে থাকেন। দিদিমার ওই প্রেমিকাই নাবালিকাকে স্কুলে নিয়ে যেতেন। স্কুল ছুটির শেষে বাড়িতেও নিয়ে আসতেন। এই সুযোগে নাবালিকাকে যৌন হেনস্তা করতেন অভিযুক্ত হীরামোহন। এই কাজে সাহায্য করতেন তাঁর প্রেমিকা শেফালি। প্রায় এক মাস ধরে প্রৌঢ়ের যৌন হেনস্তার শিকার হয় নাবালিকা।
অভিযোগ, বৃহস্পতিবার নাবালিকাকে ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত। পাশবিক অত্যাচারে নাবালিকার রক্তক্ষরণ শুরু হয়। কিন্তু বিষয়টি গোপন রাখেন শেফালি। ঘটনার দু’দিন পর এক প্রতিবেশী নাবালিকাকে উদ্ধার করে বাগদা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানেই ঘটনার কথা জানায় নাবালিকা। বিষয়টি জানানো হয় পুলিসকে। পুলিস নাবালিকার দূর সম্পর্কের এক আত্মীয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে। সেই আত্মীয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে দিদিমা ও তার প্রেমিককে গ্রেপ্তার করে পুলিস। ধৃতদের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা রুজু হয়েছে। 
শনিবার ধৃতদের বনগাঁ আদালতে তোলা হলে বিচারক জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। এবিষয়ে বনগাঁ পকসো আদালতের বিশেষ সরকারি আইনজীবী সমীর দাস বলেন, আদালতে অভিযুক্তরা জামিনের আবেদন করলেও বিচারক তা নাকচ করে দেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ