Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

বিরাট-রোহিতের দেখানো পথে চলবেন গিল

টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে ইংল্যান্ডে অভিষেক ঘটতে চলেছে শুভমান গিলের। ২০ জুন লিডসে সিরিজের প্রথম টেস্ট। বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মা না থাকলেও পাঁচ ম্যাচের এই টেস্ট সিরিজে তাঁদের দেখিয়ে যাওয়া পথেই হাঁটবেন নতুন ক্যাপ্টেন।

বিরাট-রোহিতের দেখানো পথে চলবেন গিল
  • ২৬ মে, ২০২৫ ১৬:০৫
Prefer us on Google

মুম্বই: টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে ইংল্যান্ডে অভিষেক ঘটতে চলেছে শুভমান গিলের। ২০ জুন লিডসে সিরিজের প্রথম টেস্ট। বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মা না থাকলেও পাঁচ ম্যাচের এই টেস্ট সিরিজে তাঁদের দেখিয়ে যাওয়া পথেই হাঁটবেন নতুন ক্যাপ্টেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় বোর্ডের পোস্ট করা এক ভিডিওতে গিল বলেছেন, ‘রোহিত ভাই, বিরাট ভাই ও অশ্বিন ভাই বিদেশে জেতার ব্লুপ্রিন্ট তৈরি করে গিয়েছে। কীভাবে অ্যাওয়ে ম্যাচ ও সিরিজ জিতব, তা ওদের থেকেই শিখেছি। ওদের দেখানো পথে চলাটা অবশ্য সোজা নয়, বরং চ্যালেঞ্জিং। তবে আমরা জানি, বিদেশে ম্যাচ ও সিরিজ জেতার জন্য কী করতে হবে।’

Advertisement

কোহলি ও রোহিতের নেতৃত্বের ধরন সম্পর্কেও ব্যাখ্যা দিয়েছেন গিল। তাঁর মতে, ‘ছোট থাকার সময় ভারতীয় ক্রিকেটের গ্রেটদের দেখে অনুপ্রাণিত হতাম। আমি ভাগ্যবান যে, তাদের অনেকের সঙ্গেই পরবর্তীকালে খেলতে পেরেছি। বিরাট ভাই ও রোহিত ভাই সেই তালিকায় রয়েছে। দু’জনের নেতৃত্বের ধরন অবশ্য আলাদা। তবে জয়ের লক্ষ্যে কোনও ফারাক ছিল না। ওরা উভয়েই জয়ের জন্য পূর্ণ শক্তিতে ঝাঁপাত। তবে দু’জনের স্টাইলে তফাত থাকত। বিরাট ভাই সবসময় আগ্রাসী। সামনে দাঁড়িয়ে নেতৃত্ব দিতে চাইত। জেতার খিদে ও প্যাশন ছিল মারাত্মক। রোহিত ভাইও আক্রমণাত্মক ছিল। তবে তা ওর হাবে-ভাবে তা বোঝা যেত না। কিন্তু মাঠে রীতিমতো আক্রমণাত্মক মেজাজেই থাকত।’ গিল আরও বলেন, ‘রোহিত ভাই আসলে শান্ত স্বভাবের। একই সঙ্গে ট্যাকটিক্সের দিক দিয়ে দক্ষ। খেলোয়াড়দের সঙ্গে সবসময় কথাবার্তা বলত। কী চাইছে তা পরিষ্কার করে জানিয়ে দিত। এই বিষয়গুলি আমি রোহিত ভাইয়ের থেকে শিখেছি।’
অনেক সময় নেতৃত্বের বোঝা প্রভাব ফেলে ব্যাটিংয়ে। কিন্তু নেতৃত্ব ও ব্যাটিংকে মেশাতে চান না গিল। তাঁর কথায়, ‘এটা শিখেছি যে, ব্যাট করার সময় নেতা হিসেবে ভাবতে নেই। তখন ব্যাটসম্যান হিসেবেই সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি। কারণ, তখন অন্য কিছু নিয়ে ভাবতে গেলে অহেতুক বাড়তি চাপে পড়তে হবে। এই চাপকে ডেকে আনার কোনও দরকার নেই।’ টিম ইন্ডিয়ার নেতৃত্ব তাঁর কাছে মস্ত বড় দায়িত্ব। গিল বলেছেন, ‘ছোটবেলায় খেলা শুরুর সময় সকলেই দেশের প্রতিনিধিত্ব করার স্বপ্ন দেখে। দীর্ঘদিন ধরে টেস্ট খেলাই থাকে লক্ষ্য। সেখানে টেস্ট ক্রিকেটে অধিনায়ক নির্বাচিত হওয়াটা বিশাল সম্মানের এবং দায়িত্বের। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে আসন্ন সিরিজের দিকে সেজন্যই তাকিয়ে রয়েছি। আকর্ষণীয় সিরিজ হতে চলেছে এটা। আমি সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ায় বিশ্বাস করি। শুধু পারফরম্যান্সের মাধ্যমে নয়, মাঠের বাইরেও যোগ্য নেতা হয়ে উঠতে চাই। সে জন্য শৃঙ্খলা ও কঠোর পরিশ্রমে জোর দিচ্ছি। ক্রিকেটারদের নিজেকে মেলে ধরার স্বাধীনতা দেওয়াও জরুরি। ভালো নেতাকে সতীর্থদের থেকে সেরা পারফরম্যান্স আদায় করতে হয়। তার জন্য ওদের সঙ্গে খোলাখুলি কথা বলা দরকার। তবেই সেরাটা বেরিয়ে আসবে।’

সম্পর্কিত সংবাদ