নয়াদিল্লি: ইংল্যান্ডে ভারত ‘এ’ দলের দ্বিতীয় ম্যাচ ৬ জুন। প্রাথমিকভাবে ঠিক ছিল যে ওই ম্যাচে খেলবেন শুভমান গিল। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত পাল্টানো হয়েছে। ভারতের টেস্ট দলের ক্যাপ্টেন ওই ম্যাচে খেলবেন না। আইপিএলের পর দিন কয়েক বিশ্রাম নেবেন তিনি। আইপিএলে গুজরাত টাইটান্স প্লে-অফে উঠেছে। ফাইনালে পৌঁছলে তারা কাপ জেতার নির্ণায়ক লড়াইয়ে অংশ নেবে ৩ জুন। এই অবস্থায় তড়িঘড়ি করে ইংল্যান্ডে উড়ে যাওয়ার পরিবর্তে বিশ্রাম চেয়েছেন গিল। অজিত আগরকরের নেতৃত্বে জাতীয় নির্বাচকরা ও কোচ গৌতম গম্ভীর তা মেনেও নিয়েছেন। তবে গুজরাতেই গিলের সঙ্গী ওপেনার সাই সুদর্শন ছাড় পাচ্ছেন না। ৬ জুন ইংল্যান্ড লায়ন্সের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে ‘এ’ দলের স্কোয়াডে যোগ দেওয়ার কথা তাঁর। ‘এ’ দলে থাকা যশস্বী জয়সওয়াল, করুণ নায়ার, ঈশান কিষান, ধ্রুব জুরেল, নীতীশ রেড্ডি, শার্দূল ঠাকুর, মুকেশ কুমার, আকাশ দীপ, হর্ষিত রানাও খেলেছেন কোটিপতি লিগ। তবে এই ক্রিকেটারদের দল প্লে-অফে ওঠেনি। ৩০ মে ভারত ‘এ’ দলের প্রথম ম্যাচেও তাই এঁরা খেলতে পারেন।
এদিকে, ভারতের টেস্ট দলে ফিরতে পেরে খুশি শার্দূল। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের পর পাঁচদিনের ফরম্যাটের স্কোয়াডে প্রত্যাবর্তন ঘটল তাঁর। ইংল্যান্ডে অবশ্য আগেও টেস্ট খেলেছেন তিনি। রয়েছে দশটা উইকেট। তিনটি হাফ-সেঞ্চুরি সহ আছে ১৭৩ রানও। তাঁর মতে, ‘ইংল্যান্ডে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল আবহাওয়া। একই দিনে কখনও কনকনে ঠান্ডা, কখনও রৌদ্রোজ্জ্বল ও ঊষ্ণ আবার কখনও মেঘলা এবং বৃষ্টি দেখা যেতে পারে। ওখানে বৃষ্টি-বিঘ্নিত ম্যাচের সম্ভাবনা বেশি। রোদ উঠলে ব্যাটসম্যানদের সুবিধা হবে। আবার মেঘ করলে সেই একই ব্যাটসম্যানকে অনিশ্চিত দেখাবে। প্রতি মুহূর্তে ওখানে বদলায় ম্যাচের গতিপথ।’
এদিকে, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট স্কোয়াডে শ্রেয়স আয়ারের না থাকা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে কোচ গম্ভীরকে। তিনি যদিও পাশ কাটিয়ে গিয়েছেন। বলেছেন, ‘আমি নির্বাচক নই।’ তবে তাতে ক্রিকেটপ্রেমীদের অনেকেই সন্তুষ্ট নন। তাঁরা বলছেন, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দলেও শ্রেয়সকে নিতে আপত্তি ছিল গম্ভীরের। নির্বাচকমণ্ডলীর চেয়ারম্যান আগরকর যদিও যুক্তি দিয়েছিলেন, ‘এই মুহূর্তে টেস্ট দলে শ্রেয়সের জায়গা নেই।’