সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি ও নকশালবাড়ি: বৃহস্পতিবার ময়নাগুড়ি থানার পুলিস বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২৭টি মহিষ উদ্ধার করে। কন্টেনারে করে অসমের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল মহিষগুলি। এই ঘটনায় কিশানগঞ্জের তিন যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিস। অন্যদিকে, বুধবার রাতে শিলিগুড়ি মহকুমার নকশালবাড়ির সাতভাইয়ায় পুলিসের অভিযানে ন’টি গোরু সহ গ্রেপ্তার হয় এক যুবক। এক্ষেত্রেও গোরুগুলি বিহার থেকে অসমের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। ময়নাগুড়ি থানার পুলিস জানিয়েছে, প্রায় দেড় কিমি তাড়া করে মহিষ বোঝাই কন্টেনারটি আটক করা হয়েছে। কন্টেনারটি বিহার থেকে অসমের দিকে যাচ্ছিল। গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে ময়নাগুড়ি থেকে ধূপগুড়িগামী ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কে ওত পেতে থাকে পুলিস। নির্দিষ্ট নম্বরের সন্দেহজনক গাড়িটি এলে পুলিসকর্মীরা আটকানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু চালক দ্রুত গতিতে গাড়ি ছুটিয়ে চলে যায়। এরপর ময়নাগুড়ি থানার পুলিস গাড়িটির পিছু নেয়। টোলপ্লাজার সামনে এসে মহিষ বোঝাই কন্টেনারটি পুলিস পাকড়াও করে। চালক ও গাড়িতে থাকা দু’জনকে আটক করে কন্টেনারের দরজা খুলতেই দেখা যায় ২৭টি মহিষ। গবাদিপশু পরিবহণের কাগজ দেখাতে বলা হয় তাদের। তারা তা দেখাতে পারেনি। তাদের কথায় অসঙ্গতি দেখা দেয়। এরপর পুলিস তাদের গ্রেপ্তার করে। উদ্ধার মহিষগুলি আব্দুল মোড়ের একটি খোঁয়াড়ে রাখা রয়েছে। ময়নাগুড়ি থানার আইসি সুবল ঘোষ বলেন, কুয়াশার সুযোগ নিয়ে গবাদিপশু পাচারকারীরা সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে। তবে সড়কপথে কঠোর নজরদারি রয়েছে। প্রতিনিয়ত কর্মীরা টহল দিচ্ছেন। বৃহস্পতিবার ২৭টি মহিষ সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের চারদিনের পুলিসি হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছে জলপাইগুড়ি আদালত।
Advertisement
অন্যদিকে, নকশালবাড়ির সাতভাইয়ায় পুলিসি অভিযানে ন’টি গোরু সহ এক যুবকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতের নাম কাসিম আলি। সে অসমের বাসিন্দা। সূত্র মারফত খবর পেয়ে রাতে সাতভাইয়ায় অভিযান চালায় নকশালবাড়ি থানার পুলিস। সন্দেহজনক একটি লরি আটক করে তল্লাশি চালালে সেখান থেকে ন’টি গোরু উদ্ধার হয়। তবে গোরু পরিবহণের কোনও বৈধ নথি দেখাতে পারেনি গাড়ির চালক। পুলিস তাকে গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিস জেনেছে, উদ্ধার গোরুগুলি বিহার থেকে অসমে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।



