Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

২৪ ঘণ্টা পরও অধরা ডাকাতরা, পুলিস মোতায়েন সাব স্টেশনে

২৪ ঘণ্টা পরও অধরা ডাকাতরা, পুলিস মোতায়েন সাব স্টেশনে
  • ১১ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: গঙ্গারামপুরের গচিহার সাব স্টেশনে ডাকাতির ২৪ ঘণ্টা কেটে গেলেও  অধরা দুষ্কৃতীরা। রাতে ডিউটি করতে ভয় পাচ্ছেন  নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীরা। বুধবার মধ্যরাতে ভয়াবহ ডাকাতির আতঙ্ক কিছুতেই ভুলতে পারছেন না তাঁরা। 
Advertisement
বুধবার মধ্য রাতে ২০- ২৫ জন সশস্ত্র দুষ্কৃতীদের কাছে কার্যত অসহায় হয়ে পড়েন নিরাপত্তারক্ষীরা। তাঁদের মারধরের পর উল্টো করে বেঁধে লরি নিয়ে এসে স্টোররুম ভেঙে লুট করে পালিয়ে যায়। চোখের সামনে দুষ্কৃতীদের পুরো ‘অপারেশন’ দেখলেও প্রাণ ভয়ে কেউ কোনও আওয়াজ করতে পারেননি। ডাকাতির পর জেলা ছেড়ে পালিয়ে গেলেও দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করতে পারেনি পুলিস। পুলিস অবশ্য নাকা চেকিং চালাচ্ছে।
জানা গিয়েছে, জেলার সীমানা মেহেন্দিপাড়া ট্রাফিক কন্ট্রোল, বুনিয়াদপুর ট্রাফিক কন্ট্রোল ও গঙ্গারামপুর ট্রাফিক কন্ট্রোলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজে তেমন কোনও সূত্র খুঁজে পাচ্ছে না পুলিস। অত্যাধিক কুয়াশার কারণে ট্রাফিকের লাগানো সিসি ক্যামেরায় তেমন স্পষ্ট ফুটেজ নেই। জেলার ট্রাফিক পয়েন্টে  হাই ডেফিনেশন সিসি ক্যামেরা না থাকায় সমস্যা অনেক বেড়েছে। 
পুলিসের একাংশ মনে করছে, প্রতিবেশী মালদহ জেলার কালিয়াচকের কুখ্যাত দুষ্কৃতী গ্যাং এই ডাকাতির নেপথ্যে থাকতে পারে।
এদিকে বেসরকারি সংস্থার সাব স্টেশনে যে সিসি ক্যামেরা নেই তা দুষ্কৃতীরা ভালো করেই জানত। ৬ মাস আগে সংস্থায় ব্যাটারি চুরি হলেও তার কিনারা এখনও করতে পারেনি পুলিস। আগে থেকেই রেকি করেছিল দুষ্কৃতীরা। সময়কে কাজে লাগিয়ে ডাকাতি করে লরিভর্তি বিদ্যুতের সরঞ্জাম নিয়ে চম্পট দিতে সক্ষম হয়েছে। 
গঙ্গারামপুরের মতো এতবড় জায়গাতে একবার চুরির ঘটনা ঘটলেও কেন সিসি ক্যামেরা লাগাতে পারেনি সংস্থাটি, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
ইতিমধ্যে গঙ্গারামপুর থানা রাতে ওই সাবস্টেশনে দুজন সশস্ত্র পুলিস মোতায়েন করেছে। পুলিস সুপার চিন্ময় মিত্তাল বলেন, আমরা সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। তদন্তের স্বার্থে এর কিছু বলা যাবে না। 
সাব স্টেশনের ইঞ্জিনিয়ার শুভঙ্কর সাহা বলেন, আমাদের মোট ১২ জন নিরাপত্তা কর্মী আছেন। তাঁরা ভীষণ আতঙ্কে রয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুজন সশস্ত্র পুলিস থাকায় একটু হলেও কর্মীদের মনে বল এসেছে। পুলিস কতদিন থাকবে জানি না। আমরা সবাই আতঙ্কে আছি।
সম্পর্কিত সংবাদ