দুবাই: রবিবারের মহারণে জয় ভারতীয় সেনাদের উৎসর্গ করেছিলেন সূর্যকুমার যাদব। পাকিস্তানকে হারানোর পর পহেলগাঁওয়ে নিহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দেন তিনি। টিম ইন্ডিয়ার ক্যাপ্টেন সূর্যকুমারের সুরেই গলা মেলালেন কোচ গৌতম গম্ভীর। তাঁর মুখেও শোনা গেল সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের বার্তা। পাকিস্তানকে দুরমুশের পর সম্প্রচারকারী চ্যানেলে তিনি বলেন, ‘দারুণ জয়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল, আমরা কাশ্মীরে জঙ্গিহানায় নিহতদের পরিবারের পাশে ছিলাম, আছি এবং থাকব। অপারেশন সিন্দুরের সাফল্যের জন্য সেনবাহিনীকে ধন্যবাদ জানানোর তাগিদও অনুভব করছিলাম। আমি নিশ্চিত যে পাকিস্তানকে দাপটে হারিয়ে আমরা দেশবাসীকে গর্বিত করতে পেরেছি। সবার মুখে হাসি ফোটানো গিয়েছে।’
মরুশহর দুবাইয়ে রবিবার টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় পাকিস্তান। ক্রমাগত উইকেট পড়তে থাকে তাদের। কুলদীপ যাদব, অক্ষর প্যাটেলদের স্পিনে অসহায় দেখায় সলমন আগা বাহিনীকে। ১২৮ রানের জয়ের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অভিষেক শর্মার আগ্রাসী ব্যাটিং গড়ে দেয় ভিত। জন্মদিনে বাকি কাজটা সারেন সূর্য। ছক্কা মেরে দলকে জিতিয়ে ড্রেসিং-রুমে ফেরেন তিনি। সাত উইকেটে আসে জয়। এমন দাপুটে পারফরম্যান্স নিয়ে গম্ভীরের মন্তব্য, ‘এর চেয়ে ভালো কিছু হতেই পারে না। বোলাররা মাত্র ১২৭ রানে বিপক্ষকে আটকে রেখেছিল। তিন স্পিনারই দুর্দান্ত ছন্দে বল করেছে। বুমরাহও নিজের মেজাজে ছিল। বাকি কাজটা সেরেছে ব্যাটাররা।’
কোচ হিসেবে প্রায়শই বিতর্কে থাকেন গম্ভীর। তবে তা নিয়ে উদাসীন তিনি। গম্ভীরের কথায়,‘ ভালো দিনের মতো খারাপ দিনও আসবে। কোচিং মানেই এটা। তাই নিজের কাজটা সততার সঙ্গে করা প্রয়োজন। সঠিক খেলোয়াড়দের সুযোগ দেওয়া দরকার। আপেলের সঙ্গে কমলালেবুর তুলনা হয় না। কেউ কেউ অবশ্য পালাবাদলকে সহজে মানতে পারেন না। তবে আমরা খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফের উপর আস্থা রেখেছি। ভবিষ্যতেও এর সুফল মিলবে।’