নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: দুই ও তিন নম্বর বিচ গত দু’বছর ধরে বন্ধ। সম্প্রতি চার নম্বর বিচ খারাপ হওয়ায়, সেটিও ব্যবহারযোগ্য নয়। চলতি বর্ষার মরশুমে দুর্যোগে গঙ্গাসাগরের বাঁধ ভেঙে চৌচির। ভাঙা পাথর, ইটের টুকরো সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। এখন সেগুলি ব্যবহার করা ঝুঁকিপূর্ণ। সবমিলে ছ’টিট বিচ ব্যবহার করার মতো অবস্থায় নেই। আপাতত ঠিকঠাক অবস্থা রয়েছে ওয়ান বি বিচের। রবিবার, মহালয়ার তর্পণ ও স্নানের জন্য প্রশাসন থেকে সাতটির মধ্যে স্রেফ ওই একটি বিচ ব্যবহার করার জন্য খোলা রাখা হবে। ফলে পুণ্যার্থীদের ভিড় আছড়ে পড়বে একটি মাত্র সমুদ্র সৈকতে। লক্ষাধিক মানুষের সমাগম একটি বিচে সামলানো প্রশাসনের কাছে কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে বলে দাবি ওয়াকিবহাল মহলের। সম্প্রতি মহালয়ার ভিড় মোকাবিলার প্রস্তুতি নিয়ে সাগর ব্লক প্রশাসন বৈঠক করেছিল। সেখানে মূলত ওই একটি মাত্র সমুদ্র সৈকত পুণ্যার্থীদের জন্য খুলে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যাঁরা সাগরে আসবেন, তাঁরা যাতে অন্যান্য বিচে না চলে যান, তার জন্য বিভিন্ন জায়গায় ব্যারিকেড করে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। গঙ্গাসাগরের কে ওয়ান বাসস্ট্যান্ড থেকেই পুলিশ ও সিভিল ভলান্টিয়াররা পুণ্যার্থীদের ১ এ বিচের দিকে যাওয়ার জন্য সহায়তা করবে। মহালয়া উপলক্ষ্যে ওই বিচের আশেপাশে ছাউনি তৈরি করার জন্য বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকে আবেদন করা হয়েছে। প্রশাসন থেকে ওই চত্বরে ৫০টি অস্থায়ী শৌচালয় বসানোর সঙ্গে পর্যাপ্ত পানীয় জল ও আলোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আরও একটি বিষয় হল, রবিবার দুপুর থেকে বেশ কয়েক ঘণ্টা ভাটার কারণে ভেসেল পরিষেবা বন্ধ থাকতে পারে। যার জন্য কচুবেড়িয়ায় পুণ্যার্থীদের ভালো ভিড় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একসঙ্গে যাতে অনেককেই ওপারে নিয়ে যাওয়া যায়, তার জন্য দু’টি বার্জ রাখারও পরিকল্পনা নিয়েছে জেলা প্রশাসন। পাশাপাশি অতিরিক্ত ভেসেল চালানোর জন্য পরিবহণ দপ্তরকে আবেদন করা হবে বলে জানা গিয়েছে।



