Bartaman Logo
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

প্রশাসনের হানায় কিছুটা কমল ফলের দাম, বহরমপুর বাজারে ধরাছোঁয়ার বাইরে ডাব

গরম আর রমজান মাসের জেরে ডাবের দাম সেঞ্চুরির দোরগোড়ায় এসে ঠেকেছে। ক্লান্তি দূর করতে ডাবের জলে চুমুক দিলেই ট্যাক থেকে খসছে ৭৫-৮০ টাকা

প্রশাসনের হানায় কিছুটা কমল ফলের দাম, বহরমপুর বাজারে ধরাছোঁয়ার বাইরে ডাব
  • ২০ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বহরমপুর: গরম আর রমজান মাসের জেরে ডাবের দাম সেঞ্চুরির দোরগোড়ায় এসে ঠেকেছে। ক্লান্তি দূর করতে ডাবের জলে চুমুক দিলেই ট্যাক থেকে খসছে ৭৫-৮০ টাকা। ডাবের দাম মধ্যবিত্তদের নাগালের বাইরে চলে গিয়েছে। যদিও বিভিন্ন বাজারে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে হানা দেওয়ায় রমজান মাসে ফলের দাম কিছুটা নীচে নেমে এসেছে। আপেল, কলা, তরমুজ, মুসাম্বি সহ প্রায় সব ফলের দাম কমায় খুশি সাধারণ মানুষ। রমজান মাস পড়তেই ফলের দাম হু হু করে বাড়ছিল। শশা, কলা, খেজুর ছাড়া বাকি ফলের দিকে হাত বাড়াতে পারছিলেন না অনেকে। ফলে কালোবাজারি হচ্ছে খবর পেয়ে বিভিন্ন বাজারে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযানে নামা হয়। 

Advertisement

সরকারি নজরদারি বাড়ায় এক ধাক্কায় ফলের দাম অনেকটা নেমে এল। বুধবার বহরমপুর, বেলডাঙা সহ বিভিন্ন বাজারে আপেলের দাম ২০০ টাকা থেকে ১৮০ টাকায় নেমে এসেছে। অসময়ের আনারসও ৭০ টাকা থেকে কমে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তরমুজ ২৫ টাকা কেজি, সিঙ্গাপুরি কলা ৪০ টাকা কেজি, কাঁঠালি কলা ৪০ টাকা ডজন, মুসাম্বি ১৫ টাকা পিস, খেজুর ১০০ টাকা কেজি, বেদানা ১৭০ টাকা কেজি হিসেবে বিকোচ্ছে। উন্নত মানের খেজুরের দাম সাড়ে তিনশো টাকা কেজি। ফল বিক্রেতা বাবু শেখ বলেন, রোজার শুরুতে যে দামে ফল বিক্রি হয়েছে, এখন তার থেকে অনেক কমে বিক্রি হচ্ছে। 
বহরমপুর মোহনা বাসস্ট্যান্ডে ফল কিনছিলেন পিয়ারুল শেখ। তিনি বলেন, ফলের বাজারে সরকার নজর দেওয়ায় রমজান মাসে ফল কিনতে পারছি। ফল কিছুটা সস্তা হলেও ডাব মহার্ঘ। 
বহরমপুরের বাজারে মাঝারি সাইজের ডাব বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। স্বর্ণময়ী বাজার এলাকায় ডাব বিক্রি করছিলেন সঞ্জয় হাজরা। সঞ্জয়বাবু বলেন, গরম পড়লে ডাবের দাম বাড়ে। এছাড়া গাছ থেকে ডাব পাড়ার লোকের অভাব। গ্রামে গ্রামে ঘুরে ঘুরে ডাব সংগ্রহ করতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ