সংবাদাতা, মালদহ: সামনেই দোল পূর্ণিমা এবং হোলি। বাকি আর মাত্র কয়েকদিন। মালদহে তাই কারখানায় আবির তৈরির জোর ব্যস্ততা। ক্যালসিয়াম এবং ফ্রেঞ্চ চক দিয়ে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তৈরি হচ্ছে আবির। পাশাপাশি মজুত করা হচ্ছে ভেষজ আবির। একই সঙ্গে রং খেলার জন্য প্রয়োজনীয় পিচকারিও দিল্লি, কলকাতা থেকে এসে পৌঁছেছে মালদহে। সপ্তাহান্তে হোলি পড়ায় এবার বেশ খানিকটা অতিরিক্ত বিক্রির আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।
সারা বছর প্রতিমা ও মূর্তি তৈরির কাজ করলেও দোলের আগে প্রায় একমাস আবির তৈরিতে ব্যস্ত থাকেন বিমল পাল। তাঁর বাড়িতে এখন ব্যস্ততা তুঙ্গে। পাঁচ টন ক্যালিসিয়াম ও প্রায় ১০ টন ফ্রেঞ্চ চকের আবির তৈরি করতে পারবেন বলে আশাবাদী এই প্রৌঢ়। মালদহ থেকে তৈরি আবির জেলার বিভিন্ন জায়গায় যেমন যায়। উত্তর দিনাজপুর, মুর্শিদাবাদ সহ অন্য জেলা এমনকি পাশের রাজ্য ঝাড়খণ্ডেও চাহিদা রয়েছে মালদহের আবিরের।
প্রকার ভেদে আবিরের দরও আলাদা। ফ্রেঞ্চ চকের আবিরের দাম ৩০ টাকা প্রতি কেজি। ক্যালসিয়াম আবিরের দাম দ্বিগুণের বেশি। বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা প্রতি কেজি। প্যাকেটজাত ভেষজ আবিরের দাম কেজি প্রতি ১০০ থেকে ১৫০ টাকা। অতি উন্নত মানের ভেষজ আবিরের দাম অবশ্য আকাশছোঁয়া। প্রতি কেজি প্রায় ৭০০ টাকা। সাধারণ মানুষের কাছে ক্যালসিয়াম আবিরের চাহিদা বেশি হলেও উচ্চবিত্তদের বেশিরভাগ দামি আবির ব্যবহার পছন্দ করেন বলে জানিয়েছেন নির্মাতারা।
লাল, নীল, সবুজ, হলুদ, আকাশি ইত্যাদি বিভিন্ন রঙের আবির যথেষ্ট পরিমাণে বিক্রি হলেও উৎপাদকদের বক্তব্য, সবচেয়ে বেশি চাহিদা গোলাপি আবিরের।