Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পেনশন লাইফ সার্টিফিকেট আপডেটের নামে বাড়ছে প্রতারণা, বিপাকে প্রবীণরা

কেওয়াইসি আপডেটের নামে সাইবার প্রতারণার কথা শোনা যায় প্রায়শই। বিশেষ করে প্রবীণদের টার্গেট করে প্রতারকরা। বর্তমানে এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’।

পেনশন লাইফ সার্টিফিকেট আপডেটের নামে বাড়ছে প্রতারণা, বিপাকে প্রবীণরা
  • ১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: কেওয়াইসি আপডেটের নামে সাইবার প্রতারণার কথা শোনা যায় প্রায়শই। বিশেষ করে প্রবীণদের টার্গেট করে প্রতারকরা। বর্তমানে এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’। এক্ষেত্রেও বেশিরভাগ ভুক্তভোগীই প্রবীণ ও অবসরপ্রাপ্ত। এবার অনলাইনে পেনশন লাইফ সার্টিফিকেট আপডেট করার ফাঁদ পেতে সেই প্রবীণদেরই টার্গেট করেছে প্রতারকরা। শুধু তাই নয়, এই কায়দায় প্রতারণা ক্রমশ বাড়ছে। প্রতারকদের ফাঁদে পা দিয়ে শেষ জীবনে এসে সর্বস্বান্ত হচ্ছেন বহু প্রবীণ নাগরিক। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত এক মাসে বিধাননগর কমিশনারেট এলাকায় এই ধরনের তিনটি প্রতারণা সামনে এসেছে।

Advertisement

কীভাবে হচ্ছে এই প্রতারণা? পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতারকরা প্রবীণদের টার্গেট করে ফোন করছে। ‘পেনশন লাইফ সার্টিফিকেট ডিপার্টমেন্ট থেকে ফোন করছি’ বলে দাবি করছে প্রতারকরা। ফোনেই আপডেট করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তারা সংশ্লিষ্ট পেনশন প্রাপকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের যাবতীয় নথি হাতিয়ে নিচ্ছে। তারপর একটি ‘ডট এপিকে’ ফাইল পাঠাচ্ছে ফোনে। বলা হচ্ছে, ওই ফাইলে ক্লিক করলেই অনলাইনে পেনশন লাইফ সার্টিফিকেট আপডেট হয়ে যাবে। সেই কথায় বিশ্বাস করে প্রবীণরা ফাইল আপলোড করে ফেলছেন। সঙ্গে সঙ্গে হ্যাক হয়ে যাচ্ছে মোবাইল। তারপরই ওই পেনশনভোগী নাগরিক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা উঠে যাওয়ার এসএমএস পাচ্ছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, গত ২১ অক্টোবর লেকটাউনের এক ৭২ বছরের বৃদ্ধ বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় এমনই অভিযোগ জানান। তাঁকেও ফোন করে প্রতারকরা ‘ডট এপিকে’ ফাইল আপলোড করতে বলে। তিনি সেই কাজ করার পর তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে ৭ লক্ষ ১০ হাজার টাকা গায়েব হয়ে যায়। বিধাননগর দক্ষিণ থানার এক ৮৫ বছরের বৃদ্ধও একইভাবে প্রতারণার শিকার হয়েছেন। তিনি গত ২৮ অক্টোবর বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে খোয়া যায় ৯ লক্ষ ১৯ হাজার টাকা। পুলিশ ও সাইবার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফোনে কেউ ব্যক্তিগত নথি শেয়ার করবেন না। ‘ডট এপিকে’ ফাইলে ক্লিক করার আগে সচেতন ও সতর্ক হতে হবে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ