Bartaman Logo
২ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

রেলে চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণা, ফেয়ারলি প্লেস থেকে ধৃত ১

রেলে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে ওড়িশার দুই বেকার যুবককে প্রতারণার অভিযোগে বৃহস্পতিবার ফেয়ারলি প্লেস থেকে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করল হেয়ার স্ট্রিট থানার পুলিস।

রেলে চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণা, ফেয়ারলি প্লেস থেকে ধৃত ১
  • ৩১ মে, ২০২৫ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রেলে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে ওড়িশার দুই বেকার যুবককে প্রতারণার অভিযোগে বৃহস্পতিবার ফেয়ারলি প্লেস থেকে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করল হেয়ার স্ট্রিট থানার পুলিস। ধৃতের নাম বিশ্বনাথ সাহু। তারও বাড়ি ওড়িশায়। অভিযোগ, ওড়িশার দু’জনের কাছ থেকে মোট ৪ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা নিয়েছিল বিশ্বনাথ।    

Advertisement

কীভাবে ফাঁস হল প্রতারণা চক্রের কীর্তি? কলকাতা পুলিসের এক সূত্র জানাচ্ছে, ঘটনার সূত্রপাত কিন্তু ওড়িশার খুরদায়। বিশ্বনাথের সঙ্গে ওই দুই যুবকের আলাপ সেখানেই। কথা প্রসঙ্গে ওই প্রতারক দুই যুবককে জানায়, রেলের পদস্থ কর্তাদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। মোট ১০ লক্ষ টাকা দিলেই সে দু’জনকেই রেলে চাকরি করে দিতে পারে। 
সরল বিশ্বাসে ওড়িশার দুই বেকার বিশ্বনাথ সাহুকে প্রাথমিকভাবে ৪ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা দেন। টাকা হাতে পাওয়ার পর তাঁদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেয় অভিযুক্ত। এমনকী, দুই চাকরিপ্রার্থীকে সঙ্গে করে কলকাতাতেও নিয়ে আসে। প্রথমে শিয়ালদহের বি আর সিং হাসপাতালে মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর ফেয়ারলি প্লেসে নিয়ে যাওয়া হয় কাজে জয়েন করানোর জন্য। সেখানে নিয়োগপত্র হাতে ঘোরাঘুরি করতে দেখে দুই যুবককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরপিএফ। তার সূত্র ধরেই আটক করা হয় বিশ্বনাথ সাহুকে।  
নিয়োগপত্র দু’টি জাল হওয়ায় খবর যায় হেয়ার স্ট্রিট থানায়। পরে আরপিএফ বিশ্বনাথ সাহুকে হেয়ার স্ট্রিট থানার পুলিসের হাতে তুলে দেয়। প্রতারিত এক যুবককের লিখিত অভিযোগের সূত্র ধরে হেয়ার স্ট্রিট থানা প্রতারণা, জালিয়াতি, বিশ্বাসভঙ্গ, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের মতো একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের করে তদন্তে নামে।
ধৃত বিশ্বনাথ সাহুকে শুক্রবার দুপুরে ব্যাঙ্কশাল আদালতের ভারপ্রাপ্ত মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট সূর্যতপা মিত্তারের এজলাসে হাজির করানো হলে বিচারক তাকে ৯ জুন পর্যন্ত পুলিস হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রাথমিক তদন্তে পুলিসের সন্দেহ, এই চক্রে আরও দু’-তিনজন জড়িত। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিস এই চক্রের বাকি সদস্যদের নাগাল পেতে চাইছে। 

সম্পর্কিত সংবাদ