Bartaman Logo
২৮ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

এসআইআরের শুনানিতে প্রাক্তন প্রিসাইডিং অফিসার, দিশেহারা জলপাইগুড়ির মাধবও

এসআইআর শুনানিতে হাজিরা দেওয়া নিয়ে বিপাকে জলপাইগুড়ির মাধব ভক্ত। তাঁর মেয়ের হার্টে ফুটো। বেঙ্গালুরুতে ডাক্তার দেখাতে যাওয়ার জন্য আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার ট্রেনের টিকিট কাটাও।

এসআইআরের শুনানিতে প্রাক্তন প্রিসাইডিং অফিসার, দিশেহারা জলপাইগুড়ির মাধবও
  • ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:১২

নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: এসআইআর শুনানিতে হাজিরা দেওয়া নিয়ে বিপাকে জলপাইগুড়ির মাধব ভক্ত। তাঁর মেয়ের হার্টে ফুটো। বেঙ্গালুরুতে ডাক্তার দেখাতে যাওয়ার জন্য আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার ট্রেনের টিকিট কাটাও। অথচ আগামী ৩১ ডিসেম্বর হিয়ারিংয়ের তারিখ পড়েছে বাবার। এই অবস্থায় কী করবেন বুঝতে পারছেন না জলপাইগুড়ি শহরের ওয়াকারগঞ্জের বাসিন্দা মাধববাবু। একদিকে মেয়েকে বাঁচানো, অন্যদিকে নিজের ভারতীয় নাগরিকত্ব প্রমাণ। এই অবস্থায় এসআইআর শুনানিতে হাজিরার দিন পিছানোর আর্জি নিয়ে আজ, সোমবার সকাল থেকে জলপাইগুড়ি সদরের বিডিও অফিসে এসেছেন তিনি। পরিবার সূত্রে খবর, রীতিমতো দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তিনি। 

Advertisement

অন্যদিকে, এসআইআরের লাইনে দাঁড়াতে হয়েছে প্রাক্তন প্রিসাইডিং অফিসারকেও। জানা গিয়েছে, একসময় নিজে ভোট নিয়েছেন, প্রিসাইডিং অফিসারও ছিলেন। কিন্তু এখন তাঁকেই ভারতীয় নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে ৭৪ বছর বয়সে এসআইআরের শুনানির লাইনে দাঁড়াতে হয়েছে। প্রাক্তন এই সরকারি কর্মীর নাম অনিরুদ্ধ পাল। তিনি জলপাইগুড়ির বাবুপাড়ার বাসিন্দা। তাঁর বাবা ভোলানাথ পাল ছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামী। ২০০২ সালের আগে ভোটার তালিকায় নামও রয়েছে। আবার পরেও নাম রয়েছে। নিজে একাধিকবার প্রিসাইডিং অফিসার ছিলেন। তাঁকেই এবার ৭৪ বছর বয়সে শুনানিতে হাজির হতে হয়েছে। বর্তমানে শারীরিকভাবে অসুস্থ তিনি, কোমরে মারাত্মক যন্ত্রণা। সেই যন্ত্রণা নিয়েই জলপাইগুড়ি সদর বিডিও অফিসে শুনানির লাইনে দাঁড়িয়েছেন তিনি।

সম্পর্কিত সংবাদ