Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

আমেরিকার হামলার শঙ্কা! ৩৭ বছরের প্রথা ভেঙে বায়ুসেনার সঙ্গে বৈঠক এড়ালেন খামেনেই

আরব মহাসাগরে পৌঁছে গিয়েছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন। নিশানায় ইরান! ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুঁশিয়ারিকে কেন্দ্র করে যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে পশ্চিম এশিয়ায়।

আমেরিকার হামলার শঙ্কা! ৩৭ বছরের প্রথা ভেঙে বায়ুসেনার সঙ্গে বৈঠক এড়ালেন খামেনেই
  • ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

তেহরান: আরব মহাসাগরে পৌঁছে গিয়েছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন। নিশানায় ইরান! ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুঁশিয়ারিকে কেন্দ্র করে যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে পশ্চিম এশিয়ায়। এই অবস্থায় প্রথমবার ৩৭ বছরের প্রথা ভাঙলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। প্রতি বছর ৮ ফেব্রুয়ারি বায়ুসেনার কমান্ডারদের সঙ্গে বৈঠক করেন তেহরানের সর্বোচ্চ নেতা। কোভিড পরিস্থিতিতেও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তিনি। তবে এই প্রথমবার দীর্ঘদিনের রীতি ভাঙলেন খামেনেই। 

Advertisement

পাহলভি রাজবংশকে ক্ষমতাচ্যুত করতে হবে। ১৯৭৯ সালে ইরানে গণবিপ্লব চলাকালীন এমনটাই প্রতিজ্ঞা করেছিলেন বায়ুসেনার কয়েকজন অফিসার। ওই বছর ৮ ফেব্রুয়ারি এবিষয়ে তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা ও ইসলামিক শাসনের প্রতিষ্ঠাতা রুহোল্লা খোমেনেইয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন তাঁরা। তারপর থেকেই তেহরানে প্রথায় পরিণত হয়েছে এই বার্ষিক বৈঠক। খোমেনেইয়ের উত্তরসূরি হিসাবে প্রায় ৩৭ বছর ধরে এই নির্দিষ্ট দিনে বৈঠক করে এসেছেন খামেনেই। তবে এবার ব্যতিক্রম। রবিবার বৈঠকে তিনি উপস্থিত ছিলেন না। সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, এদিন বায়ুসেনার কমান্ডারদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ আবদোলরহিম মৌসাভি। 
গত ডিসেম্বরে মূল্যবৃদ্ধি সহ একাধিক ইস্যুতে খামেনেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে পথে নামে ইরানের জনতা। বিক্ষোভ দমনে কড়া পদক্ষেপ নেয় তেহরান। বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। এরইমধ্যে ইরানে সামরিক অভিযানের হুমকি দিয়ে রেখেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। শান্তি স্থাপন করতে একাধিকবার আলোচনায় বসেছে তেহরান-ওয়াশিংটন। তবে লাভ হয়নি। আমেরিকার সঙ্গে টানাপোড়েনের মাঝে কার্যত গায়েব হয়ে গিয়েছেন খামেনেই। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, বাঙ্কারে লুকিয়ে উত্তরসূরির খোঁজ চালাচ্ছেন তিনি। তাহলে কি সত্যিই মার্কিন হামলার আশঙ্কায় গা ঢাকা দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা? রবিবারের ঘটনার পর এমনই প্রশ্ন তুলছে বিভিন্ন মহল।

সম্পর্কিত সংবাদ