আমেদাবাদ: নর্মদা নদীতেই যেন অস্থি বিসর্জন দেওয়া হয়, এটাই ছিল স্ত্রীর শেষ ইচ্ছে। সেই শেষ ইচ্ছে রাখতে লন্ডন থেকে ভারতে এসেছিলেন যুবক। কিন্তু ফেরা হল না। বৃহস্পতিবার গুজরাতে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় মৃতদের তালিকায় নাম রয়েছে অর্জুন মনুভাই পটোলিয়ারও।
আমেদাবাদ: নর্মদা নদীতেই যেন অস্থি বিসর্জন দেওয়া হয়, এটাই ছিল স্ত্রীর শেষ ইচ্ছে। সেই শেষ ইচ্ছে রাখতে লন্ডন থেকে ভারতে এসেছিলেন যুবক। কিন্তু ফেরা হল না। বৃহস্পতিবার গুজরাতে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় মৃতদের তালিকায় নাম রয়েছে অর্জুন মনুভাই পটোলিয়ারও।
বৃহস্পতিবার আমেদাবাদে উড়ানের কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই ঘটে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। মৃত্যু হয় আড়াইশোর বেশি মানুষের। অভিশপ্ত সেই বিমানের যাত্রী ছিলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত অর্জুনও। জানা গিয়েছে, গুজরাতের আমরেলিতে জন্ম অর্জুনের। পরে সপরিবারে চলে যান লন্ডনে। কয়েকদিন আগে সেখানেই মৃত্যু হয় স্ত্রী ভারতীবেনের। তাঁর শেষ ইচ্ছে মেনে নর্মদা নদীতে অস্থি বিসর্জনের পর আমেদাবাদ থেকে লন্ডনগামী বিমানে উঠেছিলেন তিনি। কিন্তু নিয়তির নিষ্ঠুর পরিহাসে আর ফেরা হল না অর্জুনের। পরিবার সূত্রে খবর, ঘটনায় শোকের ছায়া অর্জুনের মাতৃভূমি আমরোলি গ্রামে। অর্জুনের ভাগ্নে কৃশ জানিয়েছেন, ‘অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ঘটনা। একই সপ্তাহের মধ্যে আমরা পরিবারের দু’জনকে হারালাম।’ লন্ডনে আট ও চার বছরের দু’টি কন্যাসন্তান রয়েছে অর্জুনের। তাদের পাশে দাঁড়াতে শুরু হয়েছে ক্রাউড ফান্ডিং। ইতিমধ্যে ১ হাজার ২০০ জনেরও বেশি মানুষ দুই শিশুর পাশে দাঁড়িয়েছেন। তহবিলে জমা পড়েছে ৭৭ হাজার ২৬০ পাউন্ড।