Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

হেপাজতে নিগ্রহে মৃত্যু বাবা-ছেলের, তামিলনাড়ুর ৯ পুলিশকর্মীকে মৃত্যুদণ্ড

ছ’বছর আগে হেপাজতে বাবা-ছেলের মৃত্যুর ঘটনায় ৯ পুলিশকর্মীকে মৃত্যুদণ্ড দিল তামিলনাড়ুর মাদুরাই জেলার আদালত। সাজাপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মীদের মধ্যে রয়েছেন ইনস্পেক্টর শ্রীধর।

হেপাজতে নিগ্রহে মৃত্যু বাবা-ছেলের, তামিলনাড়ুর ৯ পুলিশকর্মীকে মৃত্যুদণ্ড
  • ৭ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

চেন্নাই: ছ’বছর আগে হেপাজতে বাবা-ছেলের মৃত্যুর ঘটনায় ৯ পুলিশকর্মীকে মৃত্যুদণ্ড দিল তামিলনাড়ুর মাদুরাই জেলার আদালত। সাজাপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মীদের মধ্যে রয়েছেন ইনস্পেক্টর শ্রীধর। আদালত এই ঘটনাকে ‘ক্ষমতার অপব্যবহার’ হিসাবে উল্লেখ করেছে। ঘটনাটিকে ‘বিরলের মধ্যে বিরলতম’ আখ্যা দিয়ে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন বিচারক। কোর্টের পর্যবেক্ষণ, তামিলনাড়ুতে অনেক সৎ পুলিশকর্মী রয়েছেন। এই রায়ে তাঁদের মধ্যে ভয়ের সঞ্চার হবে না। বিচারক বলেন, ‘বাবা ও ছেলের কাপড় খুলে নির্মমভাবে মারধর করা হয়েছে। এই ঘটনা শুনলেও শিউড়ে উঠতে হয়।’ এই মামলায় সিবিআই সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছিল। 

Advertisement

২০২০ সালের ১৯ জুন লকডাউনের সময় মোবাইলের দোকান খোলা রাখার জন্য গ্রেপ্তার হন পি জয়রাজ ও তাঁর ছেলে ইমানুয়েল বেনিক্স। পরে এই অভিযোগটি মিথ্যা প্রমাণিত হয়। তাঁদের সাথানকুলাম থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাদের বিচারবিভাগীয় হেপাজতে পাঠানো হয়েছিল। একদিনের মধ্যেই দু’জনের মৃত্যু হয়। পরিবারের অভিযোগ, থানায় সারারাত তাঁদের উপর অত্যাচার চলেছিল। শরীরে মারাত্মক আঘাতের চিহ্নও ছিল। মাদ্রাজ হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই এই মামলার তদন্তভার নেয়। তারপরই খুনের অভিযোগে ১০ পুলিশকর্মীকে গ্রেপ্তার করে সিবিআই। তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন এক মহিলা কনস্টেবল। তিনিই সাক্ষ দিয়ে বলেছিলেন, সারা রাত বাবা-ছেলেকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছিল। টেবিলে ও লাঠিতে রক্তের দাগও ছিল। ১০০ জনেরও বেশি সাক্ষীর বয়ান নিয়েছিল সিবিআই। অভিযোগ, মৃত দুই ব্যক্তির পোশাক রক্তে ভেসে গিয়েছিল। তাদের দিয়েই রক্ত মোছানো হয়। জয়রাজ নিজের শারীরিক অসুস্থতার কথা বললেও রেহাই পাননি। পরে তদন্তে পুলিশ চরম অসহযোগিতা করেছিল বলেও জানা গিয়েছে।

সম্পর্কিত সংবাদ