Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বাংলায় ২-৩ দফায় ভোট ঘোষণা ফেব্রুয়ারি-মার্চে? বাহিনী নিয়েও কথা কমিশনে

মাসকয়েক বাদেই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। আর সেই নির্বাচন কত দফায় হবে, তা নিয়ে আলোচনা হল দিল্লিতে। পশ্চিমবঙ্গ-সহ যেসব রাজ্যে নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে, সেসব রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের (সিইও) নিয়ে সোমবার বৈঠকে বসেছিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

বাংলায় ২-৩ দফায় ভোট  ঘোষণা ফেব্রুয়ারি-মার্চে? বাহিনী নিয়েও কথা কমিশনে
  • ৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০১
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা ও নয়াদিল্লি: মাসকয়েক বাদেই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। আর সেই নির্বাচন কত দফায় হবে, তা নিয়ে আলোচনা হল দিল্লিতে। পশ্চিমবঙ্গ-সহ যেসব রাজ্যে নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে, সেসব রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের (সিইও) নিয়ে সোমবার বৈঠকে বসেছিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সেখানে রাজ্যে কত দফায় ভোট হবে এবং কত সংখ্যক বাহিনী প্রয়োজন তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, ফেব্রুয়ারির শেষে বা মার্চের শুরুতে ভোট সূচি ঘোষণা করতে চলেছে কমিশন। সেক্ষেত্রে রাজ্যে দুই থেকে তিন দফায় ভোট সম্ভব কি না, তা নিয়ে এদিনের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। 

Advertisement

সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়াল গত বিধানসভা ভোটের তুলনায় আসন্ন নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা আরও বাড়ানোর আবেদন করেছেন।  দফা হ্রাস হলে অতিরিক্ত বাহিনী প্রয়োজন বলে মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন। তবে বিষয়টি নিয়ে এখনও কিছু চূড়ান্ত হয়নি। একুশের নির্বাচনে রাজ্যে আট দফায় ভোট হয়েছিল। প্রত্যেক দফায় আলাদা আলাদা সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। সেক্ষেত্রে দফা কমলে ঠিক কত বাহিনী প্রয়োজন তা নিয়ে এদিন প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে বলে খবর। বাংলার পাশাপাশি ভোটমুখী তামিলনাড়ু, কেরল, অসম এবং পুদুচেরির নির্বাচনী আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন বৈঠকে। সেখানেই বাংলায় ভোটের দফা কমানো নিয়েও আলোচনা হয়। সংবেদনশীল বুথের মোট সংখ্যা কত হবে, তার নিরিখেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা চূড়ান্ত করবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।
এদিকে, এসআইআরের পাশাপাশি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের অনান্য প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে কমিশন। ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। তার অনেক আগেই রাজ্যের সার্বিক পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে জেলাগুলিকে প্রতি সপ্তাহে আইনশৃঙ্খলাজনিত রিপোর্ট পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে সিইও দপ্তর।
অন্যদিকে, ভোটার তালিকায় নাম নথিভুক্তির ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগে রাজ্যের চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দিয়েছিল ইসিআই। নির্দেশের পর প্রায় ৭২ ঘণ্টা কাটার পর, এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলির কাছে স্টেটাস রিপোর্ট চাইল কমিশন। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসকদের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে কমিশন। বারুইপুর পূর্ব ও ময়না বিধানসভা আসনের ইআরও এবং এইআরওদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। সোমবার দুপুর পর্যন্ত ওই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলে জানা যায়। তারপরই কমিশন আবার দুই জেলাশাসকের কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়েছে। শুধু ওই চার আধিকারিক নন, সুরজিৎ হালদার নামে এক কর্মীর বিরুদ্ধেও একই ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। ওই কর্মী ডেটা এন্ট্রির কাজে যুক্ত ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর হয়েছে কি না, তাও জানতে চেয়েছে কমিশন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ