নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গতবারের সুপার কাপ চ্যাম্পিয়ন ইস্ট বেঙ্গল। ভুবনেশ্বরে কাপ জয়ের সুবাদে এএফসি আসরে খেলার ছাড়পত্র পায় লাল-হলুদ ব্রিগেড। চলতি মরশুমে ধারাবাহিক ব্যর্থতা ভোলাতে সেই টুর্নামেন্টই অস্কার-ব্রিগেডের একমাত্র ভরসা। ইস্ট বেঙ্গলের দায়িত্ব নেওয়ার পর সাধ্যমতো চেষ্টা করেছেন অস্কার। তবে দলকে আইএসএলের সুপার সিক্সে তুলতে ব্যর্থ তিনি। কলিঙ্গ স্টেডিয়ামের পয়া মাঠে বাজিমাতই লক্ষ্য ক্লেটনদের হেডস্যারের। উল্লেখ্য, এবারও সুপার কাপ হবে সেই ভুবনেশ্বরে। কাপযুদ্ধের আগে অন্তত দু’সপ্তাহ জোরদার ট্রেনিং করাতে চান অস্কার ব্রুজোঁ। শোনা যাচ্ছে, আগামী ৪ এপ্রিল, শুক্রবার সাউল-জিকসনদের অনুশীলন শুরু। বিদেশি কোচ ও ফুটবলাররা তার আগেই শহরে ফিরবেন। হ্যামস্ট্রিংয়ে চোটের কারণে দীর্ঘদিন বাইরে আনোয়ার আলি। তাঁকে ম্যাচ ফিট করাই থিঙ্কট্যাঙ্কের বড় চ্যালেঞ্জ।
সুপার কাপের পূর্ণাঙ্গ সূচি এখনও সরকারিভাবে প্রকাশ করেনি ফেডারেশন। খসড়া সূচির অপেক্ষায় বিভিন্ন দল ও ফ্র্যাঞ্চাইজি। ফেডারেশনের ‘ধীরে চলো’ মনোভাবে সবাই ক্ষুব্ধ। তবে সূত্রের খবর, গোটা টুর্নামেন্টই হবে নক-আউট ফরম্যাটে। ২১ এপ্রিল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন। আইএসএলে নবম স্থানে রয়েছে ইস্ট বেঙ্গল। সেক্ষেত্রে তাদের প্রতিপক্ষ কেরল ব্লাস্টার্স। এদিকে, নতুন মরশুমের আগে লাল-হলুদের মেডিক্যাল টিমের খোলনলচে বদলাতে পারে। গোটা মরশুমে পরের পর ফুটবলারের চোটে বিধ্বস্ত স্কোয়াড। সাউল ক্রেসপো সহ একাধিক ফুটবলারের রিহ্যাব করে মাঠে ফিরতে দীর্ঘ সময় খরচ হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে অসন্তুষ্ট টিম ম্যানেজমেন্ট। কোচের সঙ্গে কথা বলেই সাপোর্ট স্টাফ নিয়োগ করা হবে। পাশাপাশি, মহিলা লিগে হোপসকে ৬-১ গোলে হারাল ইস্ট বেঙ্গল। ১০ ম্যাচে ২৭ পয়েন্ট নিয়ে এখন শীর্ষে লাল-হলুদের প্রমীলা ব্রিগেড।