কল্যাণী: বিধ্বংসী মহম্মদ সামি। রনজিতে সার্ভিসেসের দ্বিতীয় ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিলেন তিনি। প্রথম ইনিংসে দুই উইকেট ধরলে ম্যাচে তাঁর শিকারসংখ্যা আপাতত সাত। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এটি তাঁর ১৪তম পাঁচ উইকেট। রনজিতে চলতি মরশুমে ২৪টি উইকেট হয়ে গেল তাঁর। জাতীয় নির্বাচকরা যদিও উপেক্ষা করেই চলেছেন ৩৫ বছর বয়সি পেসারকে। তবে সামির দাপটেই রনজির কোয়ার্টার ফাইনালের পথে এক পা বাড়িয়ে রাখল বাংলা। ফলো অনের পর দ্বিতীয় ইনিংসে সার্ভিসেস আট উইকেট হারিয়ে তুলেছে ২৩১। এখনও ১০২ রানে পিছিয়ে তারা। ইনিংস হারের লজ্জা বাঁচানো কার্যত কঠিন। ফলে বোনাস সহ জয়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বল অভিমন্যু ঈশ্বরনদের। সেক্ষেত্রে বাংলার পয়েন্ট দাঁড়াবে ৩০। উল্লেখ্য, আপাতত এলিট গ্রুপ সি’তে ২৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে লক্ষ্মীরতন শুক্লার ছাত্ররাই।
সুদীপ চ্যাটার্জির দ্বিশতরানের সুবাদে প্রথম ইনিংসে বাংলা তুলেছিল ৫১৯। শনিবার সকালে সার্ভিসেস প্রথম ইনিংস শুরু করে ১২৬-৮ অবস্থায়। নকুল শর্মার (অপরাজিত ৮৫) লড়াইয়ের সুবাদে তারা থামে ১৮৬ রানে। সুরজ সিন্ধু জয়সওয়াল (৪-৫১) বাংলার সফলতম বোলার। ফলো অনের পর দ্বিতীয় ইনিংসে ১৭ রানেই তিন উইকেট হারায় সার্ভিসেস। তার মধ্যে সামিই নেন দু’টি। ক্যাপ্টেন রজত পালিওয়াল (৮৩) একটা দিক আগলে রেখে ভরসা দিচ্ছিলেন দলকে। কিন্তু দিনের শেষলগ্নে তাঁকে ফিরিয়ে পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন সামি।
গ্রুপ ‘ডি’তে বোনাস পয়েন্ট সহ জয়ের আশায় মুম্বই। সরফরাজ খানদের সামনে ইনিংস জয়ের হাতছানি। প্রথম ইনিংসে মুম্বইয়ের ৫৬০ রানের জবাবে রীতিমতো ধুঁকছে মহম্মদ সিরাজের নেতৃত্বাধীন হায়দরাবাদ। তাদের প্রথম ইনিংস শেষ হয় ২৬৭ রানে। ফলো-অনের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও বেকায়দায় তারা। ১৬৬ রানে পড়ে গিয়েছে ৭ উইকেট। এখনও ১২৭ রানে পিছিয়ে হায়দরাবাদ। বড় কোনও অঘটন না ঘটলে ইনিংসে জিতেই শেষ আটের টিকিট নিশ্চিত করবে ৪২ বারের রনজি চ্যাম্পিয়ন মুম্বই।