নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: জেলায় কন্যাশ্রী (কে-ওয়ান) যত রয়েছে, তার রিনিউয়াল ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করে ফেলতে হবে। শুক্রবার বৈঠকে এমনই নির্দেশ দেন জলপাইগুড়ির অতিরিক্ত জেলাশাসক রৌণক আগরওয়াল। জেলাশাসকের দপ্তরে কন্যাশ্রী, রূপশ্রী সহ রাজ্য সরকারের বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্প নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠক করেন তিনি। দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের নির্দেশ দেন, সামাজিক প্রকল্পের কাজ ফেলে রাখা যাবে না। কন্যাশ্রী’র কে-ওয়ানের সমস্ত রিনিউয়াল ডিসেম্বরের ১৫ তারিখের মধ্যে শেষ করতে হবে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে যাঁরা নতুন করে আবেদন করেছেন, তা যাচাইয়ের কাজও দ্রুত শেষ করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের নির্দেশ দেন অতিরিক্ত জেলাশাসক।
Advertisement
গজলডোবা ডেভেলপমেন্ট অথরিটির বৈঠকও হয় এদিন। ‘ভোরের আলো’কে সাজিয়ে তুলতে বর্তমানে কী কী কাজ চলছে, সেগুলি কী অবস্থায় রয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা হয় বৈঠকে। উপস্থিত ছিলেন জলপাইগুড়ির জেলাশাসক তথা গজলডোবা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারপার্সন শমা পারভীন, রাজগঞ্জের বিধায়ক তথা গজলডোবা উন্নয়ন পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান খগেশ্বর রায় সহ প্রশাসনিক আধিকারিকরা। শিকারপুরে দেবী চৌধুরানির মন্দির চত্বর সাজানোর কাজে ঢিলেমি নিয়ে অভিযোগ ওঠে। এদিন ওই এলাকা ঘুরে দেখেন প্রশাসনিক কর্তারা। যে এজেন্সি কাজ করছে, তাদের দ্রুত কাজ শেষ করতে বলার নির্দেশ দেন জেলাশাসক।
পাশাপাশি গজলডোবার ভোরের আলোয় ঢোকার মুখে বেশকিছু দোকান, হোটেল রয়েছে। ওখান থেকে ওসব দোকান সরিয়ে তাদের জন্য স্টলের ব্যবস্থা করার চিন্তাভাবনা নেওয়া হয়েছে। ২৯টি স্টল তৈরি করা হবে। এছাড়াও গোটা চারেক কমিউনিটি সেন্টার কাম গেস্ট হাউস তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি গজলডোবার ভোরের আলোয় ঢোকার মুখে বেশকিছু দোকান, হোটেল রয়েছে। ওখান থেকে ওসব দোকান সরিয়ে তাদের জন্য স্টলের ব্যবস্থা করার চিন্তাভাবনা নেওয়া হয়েছে। ২৯টি স্টল তৈরি করা হবে। এছাড়াও গোটা চারেক কমিউনিটি সেন্টার কাম গেস্ট হাউস তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।



