Bartaman Logo
৫ জুলাই, ২০২৬

ত্রাণ তহবিলে অনুদান ১০০ কোটিরও বেশি, চাষিদের ভাগ্যে মাত্র ৭৫ হাজার!

প্রবল বৃষ্টির জেরে বন্যা। গত সেপ্টেম্বরের এই দুর্যোগে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন মহারাষ্ট্রের কৃষকরা। হেক্টরের পর হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়।

ত্রাণ তহবিলে অনুদান ১০০ কোটিরও বেশি, চাষিদের ভাগ্যে মাত্র ৭৫ হাজার!
  • ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

মুম্বই: প্রবল বৃষ্টির জেরে বন্যা। গত সেপ্টেম্বরের এই দুর্যোগে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন মহারাষ্ট্রের কৃষকরা। হেক্টরের পর হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে ত্রাণ তহবিল গঠন করেন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। সেখানে সাধারণ মানুষের মতো বিভিন্ন সংগঠন, সমাজকর্মী থেকে রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীরা দু’হাত ভরে অনুদান দেন। ১০০ কোটি টাকার উপর অর্থ জমাও পড়ে মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে। কিন্তু ওই অর্থের মাত্র ৭৫ হাজার টাকা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে! তথ্যের অধিকার আইনে (আরটিআই) প্রশ্নের এই উত্তর ঘিরে বিরোধীদের আক্রমণের মুখে পড়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। যদিও মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর ওই তথ্য ভুল বলে দাবি করেছে। 

Advertisement

বৈভব কোকাটে নামে এক আরটিআই কর্মীর প্রশ্নের জবাবে মুখ্যমন্ত্রীর রিলিফ ফান্ড দপ্তরের আধিকারিক মনীষা সাওয়ন্ত জানান, ত্রাণ তহবিল থেকে গত অক্টোবর মাসে ৭৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে কৃষকদের। 
এরপরই মহারাষ্ট্রের বিজেপি জোট সরকারকে একহাত নিয়েছেন শিবসেনা (উদ্ধবপন্থী) নেতা অম্বাদাস দানভে। তিনি ফড়নবিশকে ‘কৃপণ’ মুখ্যমন্ত্রী বলে তোপ দেগেছেন। তাঁর প্রশ্ন, মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ কি শিল্পপতিদের প্রাপ্য? সরকারিভাবে তথ্য জানার পর এক্স হ্যান্ডলে বৈভব লিখেছেন, সাধারণ বিভিন্ন স্তরের মানুষ দু’হাত ভরে ত্রাণ তহবিল অর্থ দান করেছেন। কেউ আবার পেনশনের টাকা থেকেও অর্থ দিয়েছেন। কিন্তু সেই অর্থ কোথায় যাচ্ছে কেউই জানেন না। এভাবে চলতে থাকলে আর কেউ ত্রাণ তহবিলে সাহায্য করবে না। এদিকে সমালোচনা শুরু হতেই আসরে নামে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর। তারা জানিয়েছে, আরটিআই কর্মীকে ভুল তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে। গত অক্টোবর থেকে চলতি ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬১ কোটি ৫১ লক্ষ টাকা কৃষকদের দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কীভাবে ভুল তথ্য দেওয়া হল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে ।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ