নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: লক্ষ্মী। সাদাসিধে গ্রামের মেয়ে। স্বামী, শ্বাশুড়ি নিয়ে দিব্যি সংসার চলছিল তাঁর। হৃদরোগে প্রাণ হারান লক্ষ্মীর স্বামী। অনটনের সংসারে লড়াই শুরু করেন লক্ষ্মী। কাঁধে তুলে নেন লাঙল। ননদ মঙ্গলাকে স্কুলে পাঠান। এমন অবস্থায় শাশুড়ি হাতে পান বিধবা ভাতার টাকা। বেড়ার বাড়ি ভেঙে হয় বাংলার বাড়ি। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পান লক্ষ্মী। সঙ্গে স্বাস্থ্যসাথীর কার্ড। লক্ষ্মীর জীবন যুদ্ধের লড়াইয়ে প্রতি মুহূর্তে পাশে পেয়েছেন রাজ্য সরকারকে।



