নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: বাড়ি থেকে আধার কার্ড সংশোধন করার নাম করে বেরিয়ে নিখোঁজ দুই নাবালিকা। ঘটনার প্রায় ১২ দিন বাদেও কোনও খোঁজ মেলেনি তাদের। সম্পর্কে তারা দুই বোন। তাঁর মেয়েদের অপহরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ মায়ের। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে শান্তিপুর থানা। অপহরণের মামলা দায়ের করেই চলছে তদন্ত। যদিও মঙ্গলবার পর্যন্ত কোনও কুল কিনারাই করতে পারেনি পুলিস। তবে পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, যেহেতু নিখোঁজ দুজনেই নাবালিকা, তাই প্রথম থেকেই অপহরণের মামলা রুজু হয়েছে। তদন্ত চলছে। দ্রুত যাতে ওই দুই নাবালিকাকে ফিরিয়ে আনা যায় তার জন্য সবরকম ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
Advertisement
ঘটনাটি নদীয়ার শান্তিপুরের। ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বেড়পাড়ার বাসিন্দা ওই দুই নাবালিকার একজন অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী এবং অন্যজন ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। চলতি মাসের ৮ তারিখে শান্তিপুর পোস্ট অফিসে আধার কার্ড সংশোধন করার নাম করে বাড়ি থেকে বের হয় দুজন। কিন্তু এরপর বেলা গড়িয়ে সন্ধ্যা, এমনকী গভীর রাত হয়ে গেলেও দুই মেয়ে আর বাড়ি ফেরেনি। ঘটনার দিন রাত থেকেই আশেপাশের এলাকায় খোঁজাখুঁজি শুরু হয়ে যায়। পরিবারের তরফে আত্মীয়স্বজনকে ফোন করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কিন্তু কোথাও তাদের হদিশ মেলেনি। এরপর শান্তিপুর থানায় বিষয়টি জানায় ওই দুই নাবালিকার পরিবার।
ওই দুই নাবালিকার পরিবারের দাবি, সম্প্রতি মদনপুর থেকে এক যুবক তাদের এলাকায় বেড়াতে এসেছিল। স্থানীয় একটি বাড়িতেই উঠেছিল। কোনওভাবে সেই যুবকই যুক্ত তাঁদের মেয়েদের অপহরণের পিছনে। এছাড়াও রানাঘাটের আরও এক যুবক এই অপহরণের সঙ্গে যুক্ত বলে ওই নাবালিকারের মা দাবি করেছেন। নাবালিকার মা তাজিয়া বিবি বলেন, আধার কার্ড ঠিক করতে পোস্ট অফিসে গিয়েছিল। ওদের চলে আসার কথা। দুজনেই বাড়ির বাইরে বেরলে যখন বলত তখনই ফিরে আসত। অপহরণ ছাড়া দুজন মেয়ে কোথায় যাবে? আজকে প্রায় দুই সপ্তাহ হতে চলল মেয়েদের কোথাও খোঁজ পাইনি। দুজন যুবককে আমার সন্দেহ হচ্ছে। পুলিসকে সব জানিয়েছি। কিন্তু উপযুক্ত কোনও সহযোগিতা পুলিসের থেকে পাচ্ছি না। ঘটনার পর থেকে রোজ থানায় যাচ্ছি আর খালি হাতে ফিরে আসছি। এতদিন হয়ে গেল আমার মেয়ে দুটোর কোনও খোঁজ দিতে পারল না ওরা। ওই দুজন যুবকই আমার মেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়েছে।
ওই দুই নাবালিকার পরিবারের দাবি, সম্প্রতি মদনপুর থেকে এক যুবক তাদের এলাকায় বেড়াতে এসেছিল। স্থানীয় একটি বাড়িতেই উঠেছিল। কোনওভাবে সেই যুবকই যুক্ত তাঁদের মেয়েদের অপহরণের পিছনে। এছাড়াও রানাঘাটের আরও এক যুবক এই অপহরণের সঙ্গে যুক্ত বলে ওই নাবালিকারের মা দাবি করেছেন। নাবালিকার মা তাজিয়া বিবি বলেন, আধার কার্ড ঠিক করতে পোস্ট অফিসে গিয়েছিল। ওদের চলে আসার কথা। দুজনেই বাড়ির বাইরে বেরলে যখন বলত তখনই ফিরে আসত। অপহরণ ছাড়া দুজন মেয়ে কোথায় যাবে? আজকে প্রায় দুই সপ্তাহ হতে চলল মেয়েদের কোথাও খোঁজ পাইনি। দুজন যুবককে আমার সন্দেহ হচ্ছে। পুলিসকে সব জানিয়েছি। কিন্তু উপযুক্ত কোনও সহযোগিতা পুলিসের থেকে পাচ্ছি না। ঘটনার পর থেকে রোজ থানায় যাচ্ছি আর খালি হাতে ফিরে আসছি। এতদিন হয়ে গেল আমার মেয়ে দুটোর কোনও খোঁজ দিতে পারল না ওরা। ওই দুজন যুবকই আমার মেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়েছে।



