নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ভোটার তালিকায় নাম নথিভুক্তির ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগে রাজ্যের চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এই শাস্তিমুলক পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে চিঠি পাঠিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, বারুইপুর পূর্বের ইলেকটোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ইআরও) দেবোত্তম দত্ত চৌধুরী, অ্যাসিস্ট্যান্ট ইলেকটোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (এইআরও) তথাগত মণ্ডল, ময়না বিধানসভা কেন্দ্রের ইআরও বিপ্লব সরকার এবং এইআরও সুদীপ্ত দাস ছাড়াও সুরজিৎ হালদার নামে একজন ডেটা এন্ট্রি অপারেটরকে প্রথমে সাসপেন্ড, তার পর তাঁদের নামে এফআইআর করার। শুক্রবার চিঠি দিয়ে সোমবার দুপুর তিনটের মধ্যে এই নির্দেশ কার্যকর করার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল রাজ্যকে। তবে কমিশনের কঠোর শাস্তির নিদানের বিপক্ষেই হাঁটল নবান্ন। সাসপেন্ড বা এফআইআর না করে সুদীপ্ত দাস এবং সুরজিৎ হালদারকে শুধু মাত্র সরিয়ে দেওয়া হল নির্বাচন সংক্রান্ত সমস্ত কাজ থেকে। আর বাকি তিন জন (যাঁরা ডাব্লিউবিসিএস অফিসার) তাঁদের ক্ষেত্রে এখনই কোনও পদক্ষেপ নেওয়ার থেকে বিরত থাকল রাজ্য। সোমবার এই মর্মে নির্বাচন কমিশনের সচিব সুজিত কুমার মিশ্রকে চিঠি দিয়ে জানিয়েও দেওয়া হয়েছে মুখ্যসচিবের তরফে। সেই সঙ্গে জানানো হয়েছে, এই আধিকারিকরা সকলেই ভীষণ দক্ষ এবং কাজের প্রতি আন্তরিক। ফলে বিস্তারিত তদন্ত ছাড়া তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া অনুচিত। এতে সার্বিক ভাবে প্রশাসনিক ও নির্বাচনী কাজে কর্মী-আধিকারিকদের মনোবলে আঘাত করবে।



