Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মগরাহাট স্টেশনে বিধ্বংসী আগুন, ছাই ১০টি দোকান

ঈদের আনন্দ বিষাদে পরিণত হল। সোমবার দুপুরে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে মগরাহাট স্টেশনের তিন নম্বর প্ল্যাটফর্মে পুড়ে ছাই হয়ে গেল অন্তত ১০টি দোকান।

মগরাহাট স্টেশনে বিধ্বংসী  আগুন, ছাই ১০টি দোকান
  • ১ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা : ঈদের আনন্দ বিষাদে পরিণত হল। সোমবার দুপুরে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে মগরাহাট স্টেশনের তিন নম্বর প্ল্যাটফর্মে পুড়ে ছাই হয়ে গেল অন্তত ১০টি দোকান। ঘটনাকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। তড়িঘড়ি আগুন নেভাতে এগিয়ে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বালতি করে জল ঢালতে থাকেন তাঁরা। খবর পেয়ে দমকলের একটি ইঞ্জিন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। অগ্নিকাণ্ডের ফলে ডায়মন্ডহারবার লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে কিছুক্ষণ। আধ ঘণ্টারও বেশি সময় পর স্বাভাবিক হয় পরিস্থিতি।

Advertisement

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ঈদের খুশিতে স্টেশনের পাশেই কয়েকজন বাজি ফাটাচ্ছিল। সেখান থেকে আগুনের ফুলকি ছিটকে গিয়ে একটি দোকানে পড়ে। সেটি ত্রিপল ও প্লাস্টিক দিয়ে ঢাকা ছিল। সঙ্গে সঙ্গে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে শুরু করে। ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের একের পর এক দোকানে। এদিকে, অন্যান্য দোকানের মালিক তাঁদের সামগ্রী রক্ষা করতে সেগুলি রেললাইনের উপর রেখে দেন। যদিও পুড়ে যাওয়া দোকানগুলির সামগ্রী বাঁচানো যায়নি বলে জানা গিয়েছে। আগুনের তীব্রতা এতটাই ছিল, স্থানীয় বাসিন্দারা তা নেভানোর চেষ্টা করলেও সফল হননি। দমকলের একটি ইঞ্জিন আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনে ঠিকই, কিন্তু ততক্ষণে সব ভস্মীভূত হয়ে যায়। ডায়মন্ডহারবার জিআরপির প্রাথমিক অনুমান, একটি মোবাইলের দোকানে শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে থাকতে পারে। সেখান থেকেই হয় তো আগুন ছড়িয়েছে। সঠিক কারণ জানতে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অগ্নিকাণ্ডের জেরে বারুইপুর থেকে ডায়মন্ডহারবার যাওয়ার আপ ও ডাউন লাইনে ট্রেন চলাচলে প্রভাব পড়ে। কয়েকটি লোকাল দাঁড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন স্টেশনে। রেলের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, এদিন ২টো ৪৮ মিনিটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তার জেরে দু’টি ট্রেন দেরিতে চলাচল করেছে। সাড়ে তিনটের পর স্বাভাবিক হয় পরিস্থিতি। তবে যে দোকানগুলিতে আগুন লেগেছিল, সেগুলি সম্পূর্ণভাবে বেআইনি বলেই দাবি করেছে রেল কর্তৃপক্ষ।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ