নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যজুড়ে নাকি ‘চালিয়ে খেলছে’ এসএফআই, অন্তত এমনই দাবি রাজ্য নেতৃত্বের। কিন্তু ‘চালিয়ে’ খেলেও পরিসংখ্যানের দিক থেকে বল বেশি দূর গড়াল না। এসএফআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ এর তুলনায় ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে রাজ্যজুড়ে সিপিএমের এই ছাত্র সংগঠনের সদস্য বেড়েছে মাত্র ৪৩২ জন। খাস কলকাতা শহরে সদস্য সংখ্যা কমেছে প্রায় ৫ হাজার। এমতাবস্থায় চালিয়ে কেন, ঠুকেও কি খেলা হবে? রাজ্য নেতৃত্ব বলছেন, ক্যাম্পাসে ভোট হলে এসএফআই দেখিয়ে দেবে।
২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে এসএফআইয়ের সদস্য সংখ্যা হয়েছে ৮ লক্ষ ৩১ হাজার ২৮১। এর মধ্যে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন এলাকাও রয়েছে। প্রসঙ্গত, ২০২১-২২ সালে সাড়ে সাত লক্ষাধিক সদস্য ছিল। তারপর ২০২২-২৩-এ অনেকখানি বেড়েছিল। ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে কমেছিল ফের। সেখান খেকে খানিকটা বাড়ল এবছর।
এসএফআই রাজ্য সম্পাদক দেবাঞ্জন দে জানান, বাঁকুড়ায় ৩৫ শতাংশ এবং ঝাড়গ্রামে ১৮ শতাংশ সদস্য বেড়েছে। এমনকী আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, সন্দেশখালি, দমদম এবং উত্তর ২৪ পরগনাতেও সদস্য সংখ্যা বেড়েছে বলেই দাবি এসএফআইয়ের। এর মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনাতেই সংখ্যাটা ১ লক্ষ ৬০ হাজার। কিন্তু লোকসভা ভোটের বছরে এত সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধির পর সিপিএমের জামানত বাজেয়াপ্ত হল কেন?
দেবাঞ্জনের জবাব, এসএফআই সংসদীয় রাজনীতিতে অংশ নেয় না। আমরা ক্যাম্পাসে রাজনীতি করি। সেখানে ভোট হলে ফল বোঝা যাবে।
এদিকে, আর জি কর ইস্যুকে সামনে রেখে রাজ্যের মেডিক্যাল কলেজগুলিতে সদস্য সংখ্যা বাড়াতে পেরেছে সিপিএমের এই ছাত্র সংগঠন। নেতৃত্বের দাবি, কলকাতা, কল্যাণী, প্রেসিডেন্সি, বিদ্যাসাগর এবং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়েও সদস্য বেড়েছে তাদের। অন্যদিকে, রামনবমীকে সামনে রেখে বিভিন্ন জায়গায় সম্প্রীতির বার্তা দিতে ক্যাম্প বা রাত পাহারার কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সিপিএমের এই ছাত্র সংগঠন।