Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

গরমে স্বস্তি পেতে চাহিদা বাড়ছে মাটির কলসি-কুঁজোর, মুখে হাসি ব্যবসায়ীদের

গরমে স্বস্তি পেতে চাহিদা বাড়ছে মাটির কলসি-কুঁজোর, মুখে হাসি ব্যবসায়ীদের
  • ৭ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, মানকর: চৈত্রের গরমে নাজেহাল অবস্থা পানাগড়, বুদবুদ এলাকার বাসিন্দাদের। বেলা বাড়ার সঙ্গেই রোদের তাপ বাড়ছে। রাস্তাঘাটে কমে আসছে মানুষজন। গরমে কিছুটা স্বস্তি পেতে অনেকেই কিনে নিয়ে যাচ্ছেন মাটির কলসি, কুঁজো। অনেকে ঢাকনা দেওয়া মাটির বোতলও কিনছেন। বিক্রেতারা জানান, সবে গরম শুরু হয়েছে। তারমধ্যেই এক লাফে বেড়েছে কলসি ও কুঁজো বিক্রি। ব্যবসা আরও বাড়বে বলে তাঁরা আশাবাদী।

Advertisement

পানাগড়ে পুরনো জিটি রোডের পাশেই কলসি বিক্রি করছিলেন নয়ন পণ্ডিত। তিনি জানান, দুই ধরনের কলসি বিক্রি হচ্ছে। ট্যাপকল যুক্ত কলসি। অন্যটিতে ট্যাপকল নেই। ট্যাপকল যুক্ত কলসির দাম ১৭৫-১৯০টাকা। ট্যাপকলহীন সাধারণ কলসি ১০০টাকা থেকে শুরু। তবে আকার অনুসারে দামের পার্থক্য রয়েছে। গতবারের মতো এবারও বড় জালার চাহিদা রয়েছে। পানাগড় বাসস্ট্যান্ডের কাছে এক কলসি বিক্রেতা বলেন, সারা বছর কলসির এরকম চাহিদা থাকে না। গ্রীষ্মকালেই বিক্রি বাড়ে। ত্রিলোকচন্দ্রপুর, দোমড়া, সিলামপুর এলাকা থেকে মানুষ এসে কলসি কিনছেন। একই ছবি দেখা গেল বুদবুদেও। বিক্রেতারা বলেন, আগে মাটির কুঁজো-কলসির চাহিদা অনেক বেশি ছিল। ইদানীং মাটির বোতল ও জগের চাহিদা বেড়েছে। বোতল যাতে টেকসই ও ব্যবহার করতে সুবিধা হয়, সেদিকে নজর দেওয়া হচ্ছে। পানাগড়ে মাটির বোতলের ক্রেতা তমোজিৎ সরকার বলেন, গ্রীষ্মে জল ঠান্ডা রাখতে মাটির বোতল কিনলাম। অনেকেই এখন ফ্রিজ ছেড়ে জল ঠান্ডা রাখতে মাটির কলসি, বোতল ব্যবহার করছেন। কলসির গায়ে অসংখ্য সূক্ষ্ম ছিদ্র থাকায় জল প্রাকৃতিক নিয়মে ঠান্ডা হয়। যন্ত্রের মাধ্যমে জল ঠান্ডা করতে বিদ্যুতের প্রয়োজন। বিদ্যুৎ না থাকলে জলও ঠান্ডা হবে না। বুদবুদে কলসির ক্রেতা চম্পা রায়ঘোষ বলেন, গরমে ঠান্ডা জল পেতে কলসি কিনছি। এখনকার কলসিগুলিতে কল লাগানো থাকে। তাই গ্লাস ডুবিয়ে জল নিতে হয় না। তাছাড়া, কলসির জল পান করে যে তৃপ্তি, তা ফ্রিজের জলে পাওয়া যায় না। ঠান্ডা লাগার ভয়ও কম থাকে।  মাটির কলসি, বোতলের চাহিদা বাড়ায় লাভের মুখ দেখছেন বুদবুদ ও পানাগড়ের ব্যবসায়ীরা। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ