নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: মদ খেয়ে বিল না মিটিয়ে উল্টে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে দাদাগিরি করার অভিযোগ উঠল কয়েকজন দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। স্থানীয়রা পাল্টা প্রতিরোধ করলে ভয়ে পালিয়ে যায় কয়েকজন দুষ্কৃতী। যদিও ধরা পড়ে যায় তিনজন। তাদের গণধোলাই দিয়ে পুলিসের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পুরুলিয়া বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মফস্বল থানার গোলামাড়া এলাকায় এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। স্থানীয় ও পুলিস সূত্রের জানা গিয়েছে, ঝাড়খণ্ড সীমানা ঘেঁষা পুরুলিয়া মফস্বল থানার গোলামারা লালবাজার এলাকায় একটি মদের দোকান রয়েছে। ওইদিন সন্ধ্যায় চারচাকা গাড়িতে ছ’সাত জন দুষ্কৃতী ওই দোকানে আসে। মদ খাওয়ার পর বিল মেটানোর সময়েই শুরু হয় দাদাগিরি। আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখানো হয় দোকানের কর্মীকে। সেইসময় ওই এলাকার বাসিন্দারা দুষ্কৃতীদের দাদাগিরি দেখে এগিয়ে আসেন। প্রতিরোধে ভয় পেয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। সুযোগ বুঝে পালাতে শুরু করে। কিন্তু, ধরা পড়ে যায় তিনজন। তাদের বেধড়ক মারধর করা হয়। তারপর একটি দোকানঘরে আটকে রেখে পুলিসকে খবর দেওয়া হয়। পুলিস এসে তাদের গ্রেপ্তার করে। তার মধ্যে দুই দুষ্কৃতীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার নিয়াজ আনসারি নামের এক দুষ্কৃতীকে আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে পাঁচ দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন। পুলিস সূত্রের খবর, দুষ্কৃতীদের বাড়ি ঝাড়খণ্ডের ধানবাদ এলাকায়। জেলার পুলিস সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দুষ্কৃতীরা ডাকাতির উদ্দেশ্যেই জড়ো হয়েছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে আমরা জানতে পেরেছি। তিনজনকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। ধৃতদের কাছ থেকে একটা সেভেন এমএম পিস্তল পাওয়া গিয়েছে। ধৃতদের বিরুদ্ধেনির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে।



