নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ‘স্বপ্নের’ বন্দে ভারতের পর বুলেট ট্রেন নিয়ে মোদি সরকার সবথেকে বেশি আগ্রহী। গুজরাতের আমেদাবাদ থেকে মহারাষ্ট্রের মুম্বই রুটে চালু হবে এই ট্রেন। রেল সূত্রে খবর, ২০২৬ সালের শেষ বা ২০২৭ সালের গোড়ায় বুলেট ট্রেনের যাত্রী পরিষেবা শুরু হবে। সেইমতো চলছে প্রস্তুতি। কিন্তু এই প্রকল্প ঘিরে আচমকাই কি কিছু সংশয়ের সৃষ্টি হয়েছে? আপাতত এই প্রশ্নকে কেন্দ্র করে চর্চা তুঙ্গে উঠেছে। বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুলেট ট্রেনের খরচ হঠাৎ করেই প্রায় তিন গুণ বেশি বৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ইতিপূর্বে জাপানের সঙ্গে চুক্তিতে স্থির হয়েছে, কোচপিছু প্রায় ১৬ কোটি টাকা করে দিতে হবে মোদি সরকারকে। অর্থাৎ, ১৬ কোচের একটি বুলেট ট্রেনের জন্য খরচের পরিমাণ ধরা হয়েছিল প্রায় ২৫৬ কোটি টাকা। কিন্তু জানা যাচ্ছে, কোচ পিছু ১৬ কোটির পরিবর্তে ৫০ কোটি টাকা করে খরচ হতে পারে বলে খবর। সেক্ষেত্রে একটি বুলেট ট্রেন কিনতে খরচের পরিমাণ ২৫৬ কোটি থেকে বেড়ে হতে পারে ৮০০ কোটি টাকা। এই ব্যয়বৃদ্ধির সম্ভাবনার মধ্যেই বুলেট ট্রেনের পরিবর্তে ওই রুটে ঘণ্টায় ২৫০ কিলোমিটার গতিতে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালানো যায় কি না, তা নিয়েও চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছে বলে খবর।
প্রসঙ্গত, বন্দে ভারত ট্রেনের গতি বাড়িয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৮০ কিলোমিটার করার ব্যাপারে ইতিমধ্যে সিদ্ধান্ত প্রায়
চূড়ান্ত করে ফেলেছে রেলমন্ত্রক। যদিও সোমবার বুলেট ট্রেন প্রকল্পে কোনও ধরনের সংশয় তৈরির জল্পনা অস্বীকার করেছে রেল বোর্ড। তারা স্পষ্টই জানিয়েছে, ‘কিছু ক্ষেত্রে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। বুলেট ট্রেন প্রকল্প নির্দিষ্ট পরিকল্পনামতো এগচ্ছে। তাতে কোনও পরিবর্তন হয়নি। বুলেট ট্রেনের ৫০৮ কিলোমিটার দীর্ঘ করিডরই জাপানি প্রযুক্তিতে তৈরি হচ্ছে।’