নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: দমদমে শ্যুটআউটের ঘটনায় এফআইআরে নাম থাকা আরও দুই অভিযুক্তের এখনও হদিশ পায়নি পুলিশ। ধৃতরা মোবাইল বন্ধ রেখেছে। ফলে তাদের মোবাইল টাওয়ার ট্র্যাক করা যাচ্ছে না। ওই দু’জনকে গ্রেপ্তারের পর ধৃতদের সঙ্গে বসিয়ে মুখোমুখি ও পৃথক জেরার প্রয়োজন বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। কারণ, ধৃত সুমন রায় পুলিশকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। পুলিশ জানিয়েছে, ওই দু’জনের খোঁজে কমিশনারেটের একাধিক টিম বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে।
রবিবার মধ্যরাতে দমদমের খলিসাকোটা এলাকার বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ের সার্ভিস রোডে শ্যুটআউটের ঘটনা ঘটে। তাতে শার্প শ্যুটার রাজা দত্ত খুন হয়। রাজা দত্তের শরীরে পাঁচটি বুলেট লেগেছিল। গুলি করা হয়েছিল পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে। রাজা দত্তের বোন দমদম থানায় সুমন, রতন, পিন্টু, কুণাল ও বাবুলালের নামে খুন ও ষড়যন্ত্রের লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। তাদের মধ্যে পুলিশ সুমন রায়, সৌমিক দাস ওরফে পিন্টু, কুন্তল চৌধুরি ওরফে কুণালকে গ্রেপ্তার করেছে। এখনও রতন ও বাবুলাল অধরা। সুমনের মতো বাবুলালের সঙ্গেও রাজার শত্রুতা ছিল। ফলে বাবুলালের জড়িত থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না পুলিশ। শুধু তাই নয়, বাবুলালের রাজনৈতিক যোগ রয়েছে। পালাবদলের পর গেরুয়া শিবিরের কেষ্টবিষ্টুদের সঙ্গে তাকে দেখা যাচ্ছিল। তাই ধৃতদের দ্রুত পাকড়াও করে শ্যুটআউট কাণ্ডের ষড়যন্ত্রকারীদের হদিশ পেতে চাইছে পুলিশ। যদিও এই ঘটনায় মূল ষড়যন্ত্রকারীরা আদৌ ধরা পড়বে কি না, তা নিয়ে সন্দিহান বিরাটির মানুষ। কারণ, প্রভাবশালীরা যুক্ত থাকলে সেই তদন্ত বেশি দূর এগবে কি না, তা নিয়ে চর্চা চলছে এলাকায়।