


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সাধারণত এপ্রিলের শেষে কিংবা মে মাসের প্রথম সপ্তাহে রাস্তায় নামেন পুলিস কমিশনার। চাঁদি ফাটা গরমে রাস্তায় দাঁড়িয়ে কর্তব্যরত ট্রাফিক কর্মীদের শরীরের দিকে নজর দেন খোদ সিপি। কিন্তু, এবছর মার্চ থেকেই পারদ চড়ছে। তাই আগেভাগেই বাহিনীর হাল হকিকতের খোঁজ নিলেন লালবাজার প্রধান মনোজকুমার ভার্মা। চৈত্রের গোড়ায় ভরদুপুরে তীব্র দাবদাহে ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন কনস্টেবলরা। সেকথা মাথায় রেখেই কনস্টেবলদের জন্য বিশেষ ঘোষণা করলেন সিপি। বুধবার পার্ক সার্কাসে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, গরমের জন্য কনস্টেবলদের ডিউটির সময় আট ঘণ্টা থেকে কমিয়ে ছ’ঘণ্টা করে দেওয়া হল। তাঁদের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত।
বুধবার শহরের বিভিন্ন ট্রাফিক গার্ড এলাকা ঘোরেন সিপি। সেখানে কর্মীদের সানগ্লাস, ছাতা, জলের বোতল, ওআরএস দেন তিনি। মনোজ ভার্মা বলেন, গরমের মধ্যে ইউনিফর্ম, জুতো ও মোজা পরে থাকতে হয় কর্মীদের। কিছু কিছু ক্ষেত্রে তাঁদের ছাড় দেওয়া হবে। যদিও ডিউটির সময় কমানো নিয়ে কনস্টেবলদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। একাংশের মতে, গরমে টানা রাস্তায় দাঁড়িয়ে কাজ করতে হয়। তার জেরে আগে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। দু’ঘণ্টা কমলে ভালোই হয়। অন্যদিকে, পুলিসের আরেক মহল বলছে, ফোর্সের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। কনস্টেবলের ডিউটি কমলে দিনের বাকি সময় ফোর্সের সামঞ্জস্য রাখতে শিফট বাড়াতে হবে। সেক্ষেত্রে ছ’ঘণ্টার শিফট হলে বাড়তি শিফটের জন্য কনস্টেবল পাওয়া কঠিন হয়ে যাবে।