Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

জমির মিউটেশন সংক্রান্ত অভিযোগ এবার জানানো যাবে এক ক্লিকেই, ‘বাংলার ভূমি’ পোর্টালে আসছে ‘অ্যাপিল মডিউল’

জমি কেনার পর পরচা তৈরি বা মিউটেশন অত্যাবশ্যকীয় একটি পদক্ষেপ। কারণ, মিউটেশন না হলে সরকারি খাতায় বা তথ্যভাণ্ডারে সেই জমি নথিভুক্ত হয় না নতুন মালিকের নামে।

জমির মিউটেশন সংক্রান্ত অভিযোগ এবার জানানো যাবে এক ক্লিকেই, ‘বাংলার ভূমি’ পোর্টালে আসছে ‘অ্যাপিল মডিউল’
  • ১১ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: জমি কেনার পর পরচা তৈরি বা মিউটেশন অত্যাবশ্যকীয় একটি পদক্ষেপ। কারণ, মিউটেশন না হলে সরকারি খাতায় বা তথ্যভাণ্ডারে সেই জমি নথিভুক্ত হয় না নতুন মালিকের নামে। এই মিউটেশন নিয়েই রাজ্যের কাছে জমা পড়ে হাজারও অভিযোগ। এবার থেকে এই অভিযোগ জানাতে আর ঘুরতে হবে না অফিসে অফিসে। অনলাইনে এক ক্লিকেই অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থা চালু করছে নবান্ন। প্রশাসনিক কর্তাদের মতে, এর ফলে খুলবে লাল ফিতের ফাঁস। তাছাড়া, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অভিযোগের নিষ্পত্তি হচ্ছে কি না, তাও সার্বিকভাবে নজরদারি চালাতে পারবে রাজ্য সরকার।

Advertisement

জমির মিউটেশন করতে গেলে হিয়ারিংয়ে ডাকা হয় ক্রেতা এবং বিক্রেতাকে। বিক্রেতার নাম সরকারি খাতায় নথিভুক্ত না থাকলে যার নামে সেই জমি রেকর্ড থাকে, তাঁকেও ডাকা হয় শুনানিতে। এই শুনানি পর্বের মাধ্যমে রেভিনিউ অফিসার বা বিএলআরও মিউটেশনের অনুমতি দেন। তবে অনেক ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে উচ্চস্তরে অ্যাপিল করে ক্রেতা বা জমি যাঁর নামে রেকর্ড হয়ে আছে, সেই ব্যক্তি। এক্ষেত্রে অ্যাপিল করার প্রয়োজন পড়ে অতিরিক্ত জেলাশাসক পদমর্যাদার ডিএলআরও’র অফিসে। এই অবস্থায় একেবারে নতুন রূপে ভূমিসংস্কার দপ্তরের ‘বাংলার ভূমি’ পোর্টাল নিয়ে আসতে চলেছে রাজ্য। সেখানেই থাকছে ‘অ্যাপিল মডিউল’। নির্দিষ্ট লিঙ্কে ক্লিক করলেই মিউটেশন সংক্রান্ত সমস্যায় ইতি টানার জন্য অ্যাপিল করা যাবে বলে জানাচ্ছে প্রশাসনিক মহল। মিউটেশন ছাড়াও পাট্টা, বর্গা সংক্রান্ত অভিযোগ জানিয়ে তার নিষ্পত্তির জন্যও আবেদন জানানো যাবে এই ‘অ্যাপিল মডিউলের’ মাধ্যমে। বর্গাদারের নাম বাদ চলে যাওয়া থেকে শুরু করে ফসলের ভাগ নিয়েও অভিযোগ জমা পড়ে জেলায় জেলায়। একইভাবে পাট্টায় পাওয়া জমির অপব্যবহার নিয়েও অভিযোগ জমা পড়ে। এবার এই সমস্ত ক্ষেত্রেই অ্যাপিল করা যাবে এভাবে। 
প্রতি বছর এমন ২০ থেকে ২৫ হাজার অ্যাপিল জমা পড়ে। কোনও জেলায় ৫০০, আবার কোনও জেলায় দু’হাজার। অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যার নিষ্পত্তি হতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। অনলাইন ব্যবস্থা চালু হলে অ্যাপিল সংক্রান্ত সমস্ত তথ্যও পাওয়া যাবে এক ক্লিকে। ফলে অকারণে কোনও ‘কেস’ নিষ্পত্তি হতে বিলম্ব হবে না বলেই আশাবাদী রাজ্য প্রশাসন। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ