নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কিছুদিন আগে টেলিগ্রাম অ্যাপে এক ব্যক্তির সঙ্গে আলাপ হয় কসবার তরুণীর। সেই পরিচিতির সূত্রে ওই তরুণী বাড়িতে বসেই ‘চাকরি’র অফার পান! তাঁকে বলা হয়, একটি অ্যাপনির্ভর সামগ্রী বণ্টন সংস্থায় (ই-কমার্স) ‘ক্যাশ অন ডেলিভারি’র ক্ষেত্রে ‘অনুমোদনকারী’ হিসেবে কাজ করতে হবে। অর্থাৎ, ওই সংস্থা থেকে কেউ কিছু নগদ টাকা দিয়ে কিনতে চাইলে ‘অনুমোদনকারী’কেই অগ্রিম সেই টাকা দিতে হবে কর্তৃপক্ষকে। এভাবে তিনি নির্দিষ্ট ওই কেনাকাটির প্রক্রিয়াটি ‘অনুমোদন’ করবেন। এর বদলে কী পাবেন তরুণী? তাঁকে জানানো হয়, যে টাকা দিয়ে তিনি পণ্য কিনবেন বা অনুমোদন দেবেন, সেই টাকা আসলে তাঁরই ‘লগ্নি’ হিসেবে গণ্য হবে। প্রতিটি লেনদেনে ‘লগ্নি’র দ্বিগুণ টাকা ফেরত দেওয়া হবে ‘লগ্নিকারী’কে। এই বাড়তি টাকাই তাঁর কমিশন। তরুণী বুঝতে পারেননি যে সবটাই আসলে প্রতারণার ফাঁদ! তিনি যথারীতি সেই ফাঁদে পা দেন। তারপর কয়েক দফায় ‘লগ্নি’ করে প্রায় ২ লক্ষ টাকা খুইয়ে মঙ্গলবার তিনি কসবা থানা ও সাউথ সাবার্বান ডিভিশনের সাইবার সেলে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। লালবাজার জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে।



